চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। শিল্পোৎপাদনসহসহ প্রায় সব ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গিয়ে এ বিপুল ভর্তুকির বোঝা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, “বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট নীতিগত দুর্বলতা, অপরিকল্পিত জ্বালানি ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে ক্যাপাসিটি চার্জের মতো ব্যয় কাঠামো এবং বিদ্যুৎ আমদানি ও ক্রয় সংক্রান্ত চুক্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। এছাড়া, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিনির্ভরতা এবং উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধানও ভর্তুকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। ফলে চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ভর্তুকি ৪০ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছে।”
তিনি বলেন, “বর্তমানে দেশে স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা (আমদানি ও অন-গ্রিড নবায়নযোগ্যসহ) ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট হলেও এখনো নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলে খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।”