জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির (নাডা) ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন ও টেকসই উন্নয়ন: বাংলাদেশে সমতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতার জন্য একটি সামগ্রিক কাঠামো’-শীর্ষক দ্বিতীয় উন্নয়ন সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে নাডা ভবনে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী।
নাডার রেক্টর (সচিব) ড. মো. কামরুজ্জামান এনডিসি এতে সভাপতিত্ব করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার বলেন, “বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সমতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন অপরিহার্য।”
দিনব্যাপী এই সংলাপে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, উন্নয়নকর্মী এবং প্রশিক্ষণার্থীসহ ২৭০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী যোগ দেন। দুটি স্থানে ৬টি ওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেগুলোর বিষয়বস্তু ছিল: সুশাসন ও কার্বন নিঃসরণ, স্বচ্ছ কল্যাণ বণ্টনের জন্য পরিবারকেন্দ্রিক ডিজিটাল শনাক্তকরণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন, জলবায়ু কূটনীতি ও অভিযোজন অর্থায়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সক্ষম ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সরকারি সেবা প্রদানের জন্য মানসম্মত প্রকল্প ব্যবস্থাপনা।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. মো. কামরুজ্জামান (এনডিসি)। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের সচিব ড. মো. সানওয়ার জাহান ভূঁইয়া এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।
সমাপনী অধিবেশনে বক্তারা বলেন, উন্নয়ন প্রশাসনকে অবশ্যই আরো অভিযোজনযোগ্য, প্রমাণভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক এবং প্রযুক্তি-সক্ষম হতে হবে।