সারা বাংলা

আলোচিত সেই ঝুপড়ি ঘর গুঁড়িয়ে দিলো প্রশাসন

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় সরকারি খাস জায়গা দখল করে বানানো আলোচিত ঝুপড়িটি স্থানীয় প্রশাসন গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ঝুপড়ি ঘরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) লাগানো এবং সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। সেখানে ববিতা আক্তার সুমাইয়া (৩৫) মাদক কারবার করতেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) চাটখিল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভীমপুর গ্রামের বেদে পল্লীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সরকারি জায়গা দখল করে নির্মিত স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান, বেদে পল্লীর সাধারণ ঝুপড়ি ঘরে এসি- সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে ববিতা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের পাশাপাশি অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতেন। দিন-রাত বহিরাগতদের আনাগোনায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল এবং স্থানীয় যুবসমাজ নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়ছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে।

                                                           আলোচিত সেই ঝুপড়ি ঘর

গত রোববার (১৪ জুন) বিকেলে চাটখিল থানা পুলিশ প্রথম দফায় ওই আস্তানায় অভিযান চালায়। অভিযানে একটি এসি, নজরদারির কাজে ব্যবহৃত সিসিটিভি ক্যামেরা, মাদক এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম পায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাত মাদক মামলার আসামি ববিতা পালিয়ে যায়। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার মেয়ে ও ভাগ্নিকে আটক করে পুলিশ।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের খাস জমি দখল করে ওই স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। একই স্থানের ওপর দিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ চারলেন সড়ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। 

পড়ুন: মাদক কারবারির আস্তানা কুঁড়েঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা 

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি জায়গা দখল করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। চারলেন সড়কের উন্নয়নকাজ নির্বিঘ্ন করতে এবং এলাকাকে সামাজিক অপরাধমুক্ত রাখতে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।