সারা বাংলা

কিশোরকে হত্যার অভিযোগ ২ কিশোরের বিরুদ্ধে 

একসঙ্গে তিন কিশোর বাড়ি থেকে প্রায় অর্ধকিলোমিটার দূরের একটি দিঘিতে গোসল করতে যায়। সেখানে তর্কের জেরে হাতাহাতি এবং পরে একজনকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাকি দুই কিশোরের বিরুদ্ধে। 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে ঘটনাটি ঘটে গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণ সিংহা গ্রামের হাওয়াই দিঘি নামক স্থানে। ঘটনায় পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক।

গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য জানিয়েছেন। 

নিহত কিশোরের নাম রাহাত (১৬)। সে হরিণসিংহা গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। 

অভিযুক্তরা হলো- একই এলাকার জবান আলীর ছেলে সাকিব (১৬) ও সাইদুল মিয়ার ছেলে রিফাত (১৭)। 

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে রাতে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মুসাব্বির হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, “বিকেলের দিকে উত্তর হরিণসিংহা গ্রামের হাওয়াই দিঘিতে গোসল করতে যায় সাকিব, রিফাত ও রাহাত। গোসলে নামার আগেই তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে বলে লোক মুখে শুনেছি। তারা শ্রমিক হিসেবে ঢাকায় কাজ করে। হত্যার ঘটনা কিভাবে ঘটেছে কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না।”

তিনি বলেন, “একপর্যায়ে দিঘির পূর্ব পাশে পুকুর পাড়ে অজ্ঞান অবস্থায় রাহাতকে উদ্ধার করে পরিবারকে খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। পুকুর থেকে তাদের বাড়ি অর্ধকিলোমিটার দূরে। পরিবারের লোকজন জীবিতভেবে রাহাতকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে পুলিশের কর্মকর্তারা নিহত কিশোরের বাড়িতে যান এবং পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তাদের সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন রাহাতের বাবা-মা ও স্বজনরা।” 

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমরা রাত ৮টার দিকে মরদের উদ্ধার করি। নিহতের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতারে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে না। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দুই কিশোর পলাতক রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”