নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে গলাকাটা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে উপজেলার ঝাউতলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়।
নিহত নারীর নাম সাথী আক্তার (৩৮)। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। অভিযুক্ত স্বামীর নাম মো. জনি (৪০)। পেশায় তিনি সেলুন কর্মচারী।
পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন যে ঝাউতলা এলাকার একটি বাসায় এক নারীর মরদেহ পড়ে আছে এবং তার স্বামী পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত সাথী ও তার স্বামী জনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “নিহতের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহট ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।”