কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্তের শূন্যরেখায় ৪ দিন ধরে রাখা হয়েছিল দুই শিশু, এক নারীসহ ৯ জনকে। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্তে দুই শিশু, এক নারীসহ ৬ জন এবং ইজলামারী ভন্দুর চর সীমান্তে ৩ জন যুবককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করছিল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা।
আজ বৃহস্পতিবার ঘটনার ৫ম দিনে গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করা ৬ জনের মধ্যে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাকে দেখা যায়নি। স্থানীয়দের ধারণা মানবিক কারণে তাদের সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। গতরাতে বৃষ্টির মধ্যে তাদের কোন দেশে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি। এ বিষয়ে অনুষ্ঠানিক কোন মন্তব্য করেনি বিজিবি। তবে পুশইনের চেষ্টার শিকার বাকি দুই যুবক গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থান করছেন।
স্থানীয় মোস্তাক আলী জানান, গতকাল গয়টাপাড়া সীমান্তে পুশইনের শিকার ৬ জনকে দেখা গেলেও আজ বৃহস্পতিবার দুই শিশু ও তার বাবা-মাকে দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে একই উপজেলার ভন্দুরচর সীমান্তে বিএসএফর পুশইন চেষ্টার শিকার তিন যুবক এখনও সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। এদিকে সীমান্তে ভারতের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
গত রবিবার সকালে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জন ও ভন্দুর চর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় তারা ব্যর্থ হয়। এরপর ওই ৯ জন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছিলেন। এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।