সাত জেলায় ধারাবাহিক নির্বাচনি সমাবেশ শেষে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে ঢাকায় ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিনে সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণসংযোগ ও সমাবেশ শুরু করেন তারেক রহমান। বেলা ১২টায় সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রথম নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন তিনি।
দলীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় মৌলভীবাজার, সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় হবিগঞ্জ, রাত সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, রাত সোয়া ১২টায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা এবং রাত ৩টায় নরসিংদীর পৌর পার্কসংলগ্ন মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেন তিনি। পরে রাত ৪টা ১৬ মিনিটের দিকে নারায়ণগঞ্জে শেষ জনসভায় অংশ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সমাবেশ শেষে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিন প্রায় ১৬ ঘণ্টায় সাতটি সমাবেশ শেষ করে গুলশানের বাসায় ফিরেছেন তারেক রহমান।
নারায়ণগঞ্জের জনসভায় প্রায় ১২ মিনিটের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান নেতাকর্মীদের নির্বাচনি প্রস্তুতির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে এবং ফজরের নামাজ কেন্দ্রের কাছে আদায় করে লাইনে দাঁড়িয়ে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।”
এ সময় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষিদের সতর্ক করে তিনি বলেন, “বাড়ি বাড়ি গিয়ে একটি দলের পক্ষ থেকে মোবাইল নম্বর ও ভোটার নম্বর সংগ্রহের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
জনসভায় বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা, খাল খনন, বেকারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ইমাম-মুয়াজ্জিমদের সম্মানি ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান।
নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনের প্রচারে ধানের শীষ এবং জোটের শরিক দলের খেজুর গাছ প্রতীকের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।