কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফিরে পেতে লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না তিনি। আপিল বিভাগের এ রায়কে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের বিজয় হিসেবে দেখছেন ওই আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাসনাত আবদুল্লাহ তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা জানান।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক লেখেন, “বাংলাদেশের জনগণ বনাম ব্যাংক ডাকাত ও ঋণখেলাপিদের ফাইটে বাংলাদেশের জনগণের বিজয় হয়েছে।”
এর আগে গত বুধবার প্রার্থিতা ফিরে পেতে মনোনয়নপত্র বাতিলের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর করা রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছিলেন। পরে তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করলে সেটাও বাতিল করে দেওয়া হয়। ফলে তার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আর সুযোগ থাকল না।
এর আগে মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আপিলে অভিযোগ করেছিলেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে শুনানি শেষে ১৭ জানুয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে ইসি। এতে মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়নপত্র অবৈধ হয়। ইসির এই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে মঞ্জুরুল আহসান গত সোমবার রিট করেন।