বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস নির্বাচনে কারচুপি ও নির্বাচনি ইঞ্জিনিয়ারিং আশঙ্কা করেছেন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, তার নির্বাচনি আসনকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি তথ্য পেয়েছেন।
তিনি দাবি করেন, আরামবাগ এলাকার বিভিন্ন ছাত্রাবাস ও মেসে বিপুলসংখ্যক জামায়াত-শিবিরের কর্মী অবস্থান নিয়েছে, যারা আশপাশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই সম্ভাব্য কারচুপি ও নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়টি তিনি বিভিন্ন সময়ে তুলে ধরেছেন। তবে তারা সব সময় একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। কোনো ধরনের সংঘাত, সহিংসতা বা অনিয়ম ছাড়া ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হোক- এটাই তাদের কামনা। শুধু তার নির্বাচনি এলাকা নয়, সারাদেশেই একই পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
মির্জা আব্বাস আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, রাতের পর যদি কোনো ধরনের অপতৎপরতা শুরু হয়, তাহলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। তিনি গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব বিষয় জাতির সামনে তুলে ধরলে দেশ সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেতে পারে।
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যদি জনগণ কোনো পক্ষকে সমর্থন না করে, তাহলে কারচুপির মাধ্যমে জয়লাভের চেষ্টা কেন করা হবে। ভোট ডাকাতির আশঙ্কা থাকলে সেই নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয় না।
মির্জা আব্বাস ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি সব ধরনের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিতে পারে।
তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, তারা যেন সঠিক তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।