দেহঘড়ি

কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিলে যেসব খাবার খেতে পারেন

অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য একটু বেশি দেখা দেয়। কারও যদি সপ্তাহে তিনবারের কম পায়খানা হয়, এ অবস্থাকে চিকিৎসকেরা কোষ্ঠকাঠিন্য বলে উল্লেখ করেন। কোষ্ঠকাঠিন্য এক থেকে তিন মাসের বেশি স্থায়ী হলে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। যেমন— পাইলস, অ্যানাল ফিশার, মলদ্বার বেরিয়ে আসা, পেটফাঁপা ও অরুচি ইত্যাদি।

মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা, কায়িক শ্রম না করা এবং যথেষ্ট পানি পান না করার জন্য এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিয়মিত ফাইবার বা আঁশসমৃদ্ধ শাকসবজি ও মৌসুমি ফল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে পারে, এমন আরও তিনটি খাবার সম্পর্কে জানিয়ে দিচ্ছি। 

পেঁপে ও কলার স্মুদি ১ কাপ পাকা পেঁপে, ১টি পাকা কলা, আধা কাপ টক দই ও পানি নিতে হবে। সব উপকরণ ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন।

সুবজ ডিটক্স পানীয় এক কাপ পালং শাক, ১টি পাকা কলা, আধা কাপের মতো আনারস কুচি, আধা কাপ শশা কুচি, ১ চা চামচ চিয়া বীজ এবং এক কাপ ডাবের পানি বা কাঠবাদামের দুধ নিতে হবে। তারপর সব উপকরণ ব্লেন্ড করে নিয়ে তাতে পুদিনা পাতা ছড়িয়ে শিশুকে খাওয়াতে পারেন। এই পানীয় পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমতে পারে।

নাশপাতি ও শসার রস ১টি নাশপাতি, অর্ধেক শসা এবং সামান্য বিট লবণ নিন। এরপর নাশপাতি ও শসা টুকরো করে নিয়ে ব্লেন্ডারে পিষে নিন। এটি বিকেলের দিকে খেলে শরীর আর্দ্র থাকবে এবং পেট পরিষ্কার ঠিক মতো হবে।