রাইজিংবিডি স্পেশাল

খালেদার চিকিৎসা নিয়ে কী ভাবছেন বিএনপি নেতারা

জামিনের মেয়াদ দুই মাসেরও বেশি অতিবাহিত হয়েছে।  এখনও শুরু হয়নি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মূল চিকিৎসা। বিএনপি নেতারা বলছেন, করোনার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না।

জানা গেছে, শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ থাকায় চিকিৎসার জন্য পারিবারিক আবেদনের পর শর্ত সাপেক্ষে ৬ মাসের জামিন পান খালেদা জিয়া।  কিন্তু দুই মাসেরও বেশি (২ মাস ১০ দিন)  সময় অতিবাহিত হলেও এখনও তার সেই ধরনের চিকিৎসা শুরু হয়নি।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল টিমের একজন সদস্য বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।  পরীক্ষা—নিরিক্ষা করেই তার চিকিৎসা শুরু করতে হবে।  পরীক্ষা ছাড়া সাধারণ যেভাবে ঘরে বসে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব, সেভাবেই তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মেডিক্যাল টিমের সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, ওনার ব্যাপারে আলহামদুলিল্লাহ ছাড়া বলার কিছু নেই।

বিএনপির সিনিয়র নেতারা বলছেন, যেহেতু চিকিৎসার জন্য জামিন, তাই মেয়াদ শেষ হলেও তেমন অসুবিধা হবে না।  পরিস্থিতি বিবেচনায় মেয়াদ বাড়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে না।

জামিনের মেয়াদ শেষে পুনরায় আবেদন করা হবে কিনা—জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম রাইজিংবিডিকে বলেন, আমি এসব বিষয়ে কিছু জানি না।  আইনজীবীরা বলতে পারবেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন রাইজিংবিডিকে বলেন, চিকিৎসার জন্য জামিন দিলেও তাকে হাসপাতালে নিয়ে যে ধরনের চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন, করোনার কারণে তা শুরু করা সম্ভব হয়নি। করোনা পরিস্থিতির কারণে তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।   তার শারীরিক অবস্থাও খারাপ। ঘরোয়াভাবেই ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের মাধ্যমে চিকিৎসা চলছে।

তিনি জানান, জামিনের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে পরিস্থিতি বুঝে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  আবেদন করা হবে।

গত ২৫ মার্চ শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পান খালেদা জিয়া।  মুক্তির পর গুলশানে ফিরোজায় কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন তিনি।  সাওন/সাইফ