অক্টোবরে মাঠে ফিরবে বাংলাদেশ। করোনার প্রকোপ কাটিয়ে জৈব-সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা সফর করবে।
লম্বা বিরতির পর মাঠে ফেরার আনন্দ থাকলেও লিটনের ভেতরে ভয় কাজ করছে। তার মতে, ব্যাটসম্যান ও বোলাররা সবাই শুরুতে ব্যাকফুটে থাকবে। দীর্ঘ সময় খেলাধুলার মধ্যে না থাকায় ২২ গজে পিছিয়ে থাকতে পারে বলেই মনে করছেন তিনি।
জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ঐচ্ছিক অনুশীলন শুরু হয়েছে অনেক আগে। লিটন কুমার দাস যোগ দিয়েছেন এক সপ্তাহ হলো। তবে শুরু থেকেই পুরোদমে অনুশীলন করছেন । মিরপুরের সবুজ ঘাসে ফিরতে পেরে দারুণ উৎফুল্ল লিটন।
সোমবার ড্রেসিংরুমের সামনে লিটন বলেন,‘মিরপুরে ফিরতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। কারণ অনেক দিন পর ক্রিকেট ব্যাট ধরতে পারছি, ব্যাটিং করতে পারছি। এ জিনিসটা অনেক স্বস্তি দিচ্ছে যে, সামনে ক্রিকেট খেলার সুযোগ আছে। এতদিন পর মাঠে এসে সবার সাথে দেখা হওয়ায় ভালো লাগছে। যাদের সাথে আমি সবসময় খেলি তাদের কাছে পাচ্ছি এবং কথাবার্তা শেয়ার করতে পারছি। এ জিনিসটা নিজের কাছে অনেক ভালো লাগছে।’
করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকে গৃহবন্দি ছিলেন এ ক্রিকেটার। চার দেয়ালে ক্রিকেট খেলার সুযোগ হয়নি। তবে ফিটনেস ঠিক রাখতে নিয়মিত ড্রিল করে গেছেন। সেগুলো ঠিকঠাকভাবে করে সন্তুষ্ট লিটন। তার ভাষ্যে,‘লকডাউনে আমি বেশিরভাগ সময় বাসায় ছিলাম। মাঠ ব্যবহারের কোন অনুমতি ছিল না। চেষ্টা করেছি বাসায় থেকে ফিটনেসের কাজগুলো করা যায়। জিম এবং ট্রেডমিলে রানিংটা করেছি। পাশাপাশি কোচদের সাথেও কথা বলছি যে কী করলে কি উন্নতি করা যায়। কিছু ড্রিল করেছি যেগুলো বাসায় করা যায়, খুব একটা গ্রাউন্ডের প্রয়োজন নেই।’
পরিস্থিতি অনুকূলে না আসলেও মাঠে ফিরেছেন লিটনরা। সামনে সিরিজও খেলবে। তবে শুরুতেই কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে তা জানিয়ে রাখলেন উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান। লিটন বলেন,‘একটা বিরতির কারণে আমি ব্যাকফুটে আছি। শুধু আমি না বোলার বলেন ব্যাটসম্যান বলেন যারা একাদশে থাকবে সবাই ব্যাকফুটে থাকবে কারণ অনেকদিনের একটা বিরতি।’
নিজেদের পুরোনো রূপে ফেরাতে সবশেষ যে সিরিজ খেলেছে সেখান থেকে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার পরামর্শ লিটনের, ‘প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ, আউট হওয়ার জন্য একটি বলই যথেষ্ট। এ জন্য প্রতিটি বলে মনোযোগ ধরে রাখতে হবে। আগের সিরিজে আমরা যে মনযোগ দিয়ে শেষ করেছি এই মনযোগটা যেন মাঠে আবার ফিরিয়ে আনতে পারি। আমার মনে হয় মনযোগ ও নিজের চ্যালেঞ্জটা যদি আবার নিতে পারি তাহলে ভালো কিছু করা সম্ভব।’