খেলাধুলা

স্মিথ, ওয়ার্নার, ম্যাক্সওয়েলদের ছাড়া বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া

প্রাথমিক দলে থাকলেও অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অনেক তারকা খেলোয়াড় বাংলাদেশ সফরের চূড়ান্ত দলে নেই। সেই তালিকায় আছেন স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও প্যাট কামিন্সের মতো ক্রিকেটার। 

গত ৮ জুন ওয়েস্ট ইন্ডজ ও বাংলাদেশ সফরের জন্য ২৯ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এক সপ্তাহ পর আজ ১৮ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে তারা। দুই সফরে দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অ্যারন ফিঞ্চ। 

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ সফরের জন্য অস্ট্রেলিয়ার চূড়ান্ত দল:

অ্যারন ফিঞ্চ, অ্যাস্টন অ্যাগার, ওয়েস অ্যাগার, জেসন বেহানডর্ফ, অ্যালেক্স ক্যারি, ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান, নাথান অ্যালিস (রিজার্ভ), জস হ্যাজেলউড, ময়সেস হেনরিকস, মিচেল মার্শ, মিচেল স্টার্ক, বেন ম্যাকডারমট, রিলে মেরিডিথ, জশ ফিলিপে, তানভীর সাঙ্গা (রিজার্ভ), মিচেল সুয়েপসন, অ্যাস্টন টার্নার, অ্যান্ড্রু টাই, ম্যাথু ওয়েড এবং অ্যাডাম জাম্পা।

প্রাথমিক দল থেকে নেই: প্যাট কামিন্স, ক্যামেরুন গ্রিন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, কেন রিচার্ডসন, ঝাই রিচার্ডসন, ডার্চি শর্ট, স্টিভেন স্মিথ, মার্কাস স্টয়নিস ও ডেভিড ওয়ার্নার। 

ম্যাক্সওয়েল, ঝাই রিচার্ডসন, কেন রিচার্ডসন, ড্যানিয়েল শামস, মার্কস স্টয়নিস, ওয়ার্নার ও প্যাট কামিন্স সফরে নিজেদের বিবেচনা না করতে অনুরোধ করেছেন। এছাড়া স্মিথকে কনুইয়ের চোটের জন্য বিশ্রামে রাখা হয়েছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন স্মিথ।  

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক ট্রেভর হন্স বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া দলের হয়ে সব খেলোয়াড় না পেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই হতাশ। তবুও জাতীয় নির্বাচন প্যানেল তাদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে যারা সফর থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে।’

‘কনুইতে আঘাতের কারণে স্টিভ স্মিথকে নির্বাচনের সুযোগ ছিল না।বিশ্বকাপ এবং অ্যাশেজ সিরিজের জন্য তাকে পুরোপুরি ফিট হতে হবে। বাংলাদেশ সফর মিস করায় স্মিথ বেশ হতাশ।’ - যোগ করেন তিনি। 

দলে তরুণ, অভিজ্ঞ ও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করা ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদের অন্তর্ভুক্তিকে ভবিষ্যতের জন্য বড় সুযোগ দেখছেন ট্রেভর হন্স। তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের গভীরতা অনেক বেশি। যারা সুযোগ পেয়েছে তাদের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগও রয়েছে।’ 

‘আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশে প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ক্রিকেটের প্রত্যাশায় আছি। আমাদের দলটি নতুন হলেও দলের অভিজ্ঞতা দারুণ। অ্যালেক্স ক্যারি, মিচেল স্টার্কের মতো ক্রিকেটাররা আছেন। যারা অস্ট্রেলিয়াকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে পারবেন।’ 

আগামী ৯ থেকে ১৬ জুলাই সেন্ট লুসিয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫টি টি-টোয়েন্টি খেলবে অস্ট্রেলিয়া। পরে ৩টি ওয়ানডে খেলবে ২০ থেকে ২৪ জুলাই। এরপর সরাসরি তারা আসবে বাংলাদেশে। আগস্টের শুরুতে ৯ দিনের ব্যবধানে দুই দল ৫টি টি-টোয়েন্টি খেলবে।