গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়া আলোচনায় ছিল অ্যাশেজ সিরিজের কোয়ারেন্টাইন বিধি নিয়ে। ওই সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে দুই দেশের ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ। দুই দল এবার মুখোমুখি বিশ্বকাপের মঞ্চে।
শনিবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় দুবাইয়ে খেলবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। দুটি দলই এবারের আসরে স্বপ্নের শুরু করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশকে হারিয়ে উড়ছে ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়া জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। যে কোনো একটি দলের সেই দারুণ শুরুর ইতি ঘটতে যাচ্ছে। কোন দল ‘তিনে তিন’ পেয়ে সেমিফাইনালে এক পা রাখতে যাচ্ছে, সেটা বলে দিবে সময়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর বাংলাদেশের বিপক্ষে সহজ জয়ের পর ইংল্যান্ডের জন্য এটি হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। একই অবস্থা অস্ট্রেলিয়ারও। টি-টোয়েন্টিতে তারা কোথায় আছে, তা বলে দিবে এই ম্যাচ।
২০১০ সালে বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত ফাইনালের পর থেকে আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দেখা হয়নি ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার। বর্তমান অজি তারকা ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথ ছিলেন ওইদিন, যিনি ৮ নম্বরে ব্যাট করেছিলেন এবং ছিলেন পাঁচ বোলারের একজন।। দুজনই আজ প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান। আর ওই দিন ইংল্যান্ডকে রক্ষা করা তিনজনের একজন এউইন মর্গ্যান এখন অধিনায়ক।
ওই ফাইনাল জিতে যায় ইংল্যান্ড এবং তারপর থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেই দুর্দান্ত অস্ট্রেলিয়াকে দেখা যায়নি। মঈন আলী আর আদিল রশিদের স্পিনে তাদের টিকে থাকার লড়াই এবার। অন্যদিকে জশ হ্যাজেলউড, মিচেল স্টার্কের পেসের সঙ্গে অ্যাডাম জাম্পার স্পিন জাদুতে বশ না হওয়ার পরীক্ষা ইংল্যান্ডের।