চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের চিফ অপারেটিং অফিসার ইয়াসির আলম দায়িত্বে থাকলে বিপিএল আর খেলবেন না মেহেদি হাসান মিরাজ। রোববার বিকেলে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মিরাজ এমন ঘোষণা দেন।
গতকাল সিলেট সানরাইজার্সের ম্যাচে মিরাজের জায়গায় নাঈম ইসলামকে টস করতে দেখে খটকা লাগে। ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে বলা হয়, প্রধান কোচ পল নিক্সনের পর্যবেক্ষণে মিরাজকে সরিয়ে নাঈমকে নেতৃত্ব দেওয়া হয়। মিরাজকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়, দল মাঠে নামার ঘণ্টাখানেক আগে।
সিদ্ধান্তটা মানতে পারেননি মিরাজ। তার অধীনে দল যখন ভালো করছিল তাহলে কেন অধিনায়কত্ব থেকে সরানো হবে? দলের অপেশাদার আচরণে ক্ষুদ্ধ মিরাজ বিপিএল না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। নিজেদের সিদ্ধান্ত জানান বিসিবিকেও।
স্ত্রী ও সন্তানসহ ব্যাগপত্র গুছিয়ে বিকেলে টিম হোটেল থেকে চেক আউট করে বেরিয়ে পড়েন মেহেদি হাসান মিরাজ। বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য গাড়িও ছিল প্রস্তুত। এ সময় তাকে থামান চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের লজিস্টিক ম্যানেজার হীরক। অনেক অনুরোধের পর হোটেলের রেস্টুরেন্টে বসে কথা বলতে রাজি হন মিরাজ। তখনো গাড়িতে বসা ছিলেন স্ত্রী। বেশ কিছুক্ষণ আলাপ আলোচনার পর মিরাজ ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে মিটিংয়ে বসেন। তবে রেস্টেুরেন্টে ঢোকার আগেই নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মিরাজের দাবি, তাকে নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন ইয়াসির। মিরাজের ভাষ্য, ‘ইয়াসির যদি দলে থাকে আমি খেলবো না। আপনি প্রয়োজনে কোচকে ফোন দেন, কোচের সাথে আমার আজকে ৩০ মিনিট কথা হয়েছে। কোচ আমাকে বলেছে ইয়াসিরের পুরো বিবৃতি মিথ্যা। সবচেয়ে বড় কালপ্রিট তো সে। মালিকপক্ষকে কেবল ব্যবহার করা হচ্ছে। উনাকে যেভাবে বলা হচ্ছে উনি সেভাবে করছে।’