রাসেল ডোমিঙ্গো প্রধান কোচ হিসেবে থাকছেন কি থাকছেন না এই নিয়ে সরগরম ক্রিকেটাঙ্গন। এরমধ্যে তিনি দেশে ফেরার পর দিনই এশিয়া কাপের দলীয় অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন। অনুশীলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শিষ্যদের নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। অনুশীলন শেষে টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন জানালেন ডোমিঙ্গোর দর্শন আমাদের ক্রিকেটের সঙ্গে যায় না।
শনিবার (২০ আগস্ট) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয় তিন দিনের অনুশীলন। সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অনুশীলন চলে দুপুর পর্যন্ত। শুরুতে ফিটনেস ঝালিয়ে নিয়ে ফিল্ডিং-ক্যাচিং অনুশীলন চলে। তারপর সেন্টার উইকেট ও ইনডোর মিলিয়ে চলে ব্যাটিং-বোলিং।
অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন বিসিবি টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। ডমিঙ্গো প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দেখেন, প্রত্যেকটা মানুষেরই আলাদা আলাদা ফিলোসফি (দর্শন) থাকে। আমার ফিলোসফি বা আপনার ফিলোসফি সবই আলাদা। প্রত্যেক কোচের ফিলোসফি আলাদা। ওর (ডমিঙ্গো) ফিলসোফি যেটা সেটা হয়তো আমাদের ব্র্যান্ড অব ক্রিকেটে'র সাথে মানাচ্ছে না।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবিসহ সম্প্রতি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারে নড়েচড়ে বসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এশিয়া কাপ থেকে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন নাজমুল হাসান পাপন। তার পরদিনই বিসিবি জানালো টি-টোয়েন্টি সংস্করণের জন্য শ্রীধরন শ্রীরামকে টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। শ্রীরাম যোগ দিলে ডোমিঙ্গোর ভূমিকা কি থাকবে এই নিয়ে চলছে আলোচনা। সোমবার সবার সঙ্গে বৈঠকে বসে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সুজন।
পাপনের মতো পরিবর্তনের আভাস সুজনের কণ্ঠেও, ‘একটা আলাদা ফিলোসফি আসলে অসুবিধা টা কী। সেটা যদি দেশের ক্রিকেটের জন্য ভালো হয় তাহলে সেটা আমাদের অবশ্যই নিতে হবে। সেটা থেকে বের হয়ে আসার চিন্তা এশিয়া কাপে আমরা করছি। দেখা যাক সেটা কী হয়। কতটুকু কাজ করে। আমার মনে হয় এই ফরম্যাটে আমরা অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে পারি। যেটা আমরা ওয়ানডেতে করতে পারি না।’
‘শ্রীরাম যখন আসবে, যেহেতু সে টি-টোয়েন্টি দল নিয়ে অনেক বেশি কাজ করে, ওর কিছু ইনপুটস তো থাকবেই। ও যেহেতু এশিয়ারই, আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে মিল আছে। কথাবার্তা বা যোগাযোগ করতেও সহজ হবে। ও আসার পর অবশ্যই একটা পরিবর্তন আমরা পাবো’-আরও যোগ করেন সুজন।