খেলাধুলা

রংপুরকে হারিয়ে তৃতীয় স্থানে সিলেট

সিলেট পর্বে রংপুরের বিপক্ষে প্রথম দেখায় হার মেনেছিল সিলেট টাইটান্স। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি, ২০২৬) সিলেটে নিজেদের শেষ ম্যাচে রংপুরকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সেটার মধুর প্রতিশোধ নিল টাইটান্সরা।

দুপুরে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রংপুরকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় সিলেট। এরপর দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট করে ১৯.১ ওভারে। জবাব দিতে নেমে ১৭.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১১৯ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে সিলেট।

এই জয়ে ৯ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে অবস্থান নিয়েছে সিলেট। অন্যদিকে আট ম্যাচ খেলে ৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে রংপুর।

রান তাড়া করতে নেমে সূচনাটা দারুণ করে সিলেট। তাওফিক খান ও পারভেজ হোসেন ইমন মিলে ৫৪ রান তোলেন ৬.৩ ওভারে। এরপর তাওফিক ১ চার ও ৪ ছক্কায় ৩৩ রানের ইনিংস খেলে আউট হন।

সেখান থেকে ইমন ও আরিফুল ইসলাম এগিয়ে নেন দলীয় সংগ্রহকে। ৮০ রানের মাথায় আরিফুল ২১ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি।

এরপর ইমন ও আফিফ হোসেন তৃতীয় উইকেটে দলীয় সংগ্রহ টেনে নেন ১১১ পর্যন্ত। এই রানে আফিফ ফেরেন ১২ রান করে। আফিফের পর ইথান ব্রুকস ডাক মেরে ফেরেন। এরপর অবশ্য ইমন ছক্কা মেরে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। তিনি ৪১ বলে ৩টি চার ও সমান সংখ্যক ছক্কায় ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন।

বল হাতে রংপুরের নাহিদ রানা ২টি উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট নেন নাঈম ইসলাম ও সুফিয়ান মুকিম।

তার আগে সিলেটের বোলিং তোপের মুখে পড়ে ব্যাটিংটা ভালো হয়নি রংপুরের। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৯.১ ওভারে তারা অলআউট হয় মাত্র ১১৪ রানে। রংপুর যেভাবে উইকেট হারাচ্ছিল তাতে একটা সময় মনে হচ্ছিল ১০০ এর নিচেই থামবে তাদের ইনিংস।

কিন্তু মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাটে তাদের দলীয় সংগ্রহ ১০০ পেরোয়। মাহমুদউল্লাহ ২৩ বলে ৪টি চারে করেন ২৯ রান। তার আগে খুশদীল শাহ ৩টি চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩০ রান। এছাড়া লিটন দাস ১২ বলে ৪টি চারে ২২ ও ইফতিখার আহমেদ ১ চারে করেন ১৭ রান। বাকিদের কেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের কোটা।

বল হাতে সিলেটের নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। ম্যাচসেরাও হন তিনি। শহিদুল ইসলাম ৪ ওভারে ৩৬ রানে নেন ৩টি উইকেট। আর মঈন আলী ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ৮ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। ৩.১ ওভারে ২৪ রান খরচায় অপর উইকেটটি নেন সালমান ইরশাদ।