এক ম্যাচে এক দলের কত ঘটনা। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের পেসার রিপন মন্ডল করলেন হ্যাট্রিক। তরুণ পেসার সাকলায়েন আহমেদ দ্যুতি ছড়িয়ে পেলেন ৪ উইকেট। সেটাও মাত্র ২৪ রান খরচ করে। সঙ্গে রানে ফিরলেন তানজিদ হাসান। ক্রিকেটারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ভালো ফলও পেল রাজশাহী।
সিলেটে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস মাত্র ১৩১ রানে অলআউট হয়। রাজশাহী ১৬.১ ওবারে ৭ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
বিপিএলে উড়ছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৮ ম্যাচে ৬ জয়ে রাজশাহীর পয়েন্ট ১২। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে তাদের অবস্থান। ঢাকা ক্যাপিটালসের এটি ৮ ম্যাচে ষষ্ঠ হার। মাত্র ২টি ম্যাচ তারা জিতেছে।
বিপিএলের এবারের আসরে তৃতীয় হ্যাট্রিক করলেন রিপন। এর আগে মেহেদী হাসান রানা ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী হ্যাট্রিক করেছিলেন। রিপনের হ্যাটট্রিকটা একটু আলাদা। আগের দুজন হ্যাট্রিক করেও দলকে জেতাতে পারেননি। রিপনের হ্যাট্রিক আজ কাজে লেগেছে। ইনিংসের শেষ তিন বলে একে একে সাব্বির রহমান, জিয়াউর রহমান ও তাইজুল ইসলামকে আউট করেন দ্রুতগতির এ বোলার। সব মিলিয়ে বিপিএলে এটি ১১তম হ্যাট্রিক।
তবে, বোলিংয়ে সব আলো কেড়ে নেন আরেক পেসার সাকলায়েন। ৬ ইকোনমিতে ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। তার স্লোয়ারে বিভ্রান্ত হয়ে আউট হয়েছেন উসমান খান (৪১), সাইফ হাসান (০), শামীম হোসেন (৭) ও ইমাদ ওয়াসিম (১১)। ঢাকা ক্যাপিটালসের টপ ও মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান এই পেসার।
উসমান ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন। ২৭ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় সাজান তার ইনিংস। সাকলায়েন ও রিপন বাদে বল হাতে ২২ রানে ২ উইকেট নেন অভিষিক্ত স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তানজিদ হাসান। মাত্র ৪৩ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৭৬ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার। আগের ৭ ম্যাচে মাত্র ৯০ রান করা তানজিদ আজ পারফরম্যান্সের ডালা মেলে ধরেন। এছাড়া, মোহাম্মদ ওয়াসিম ২২, মুশফিকুর রহিম ১২ ও জিমি নিশাম ১৪ রান করেন। ঢাকার হয়ে ১টি করে উইকেট নেন ইমাদ, নাসির ও সাইফ।
বিপিএলের চলতি আসনে প্রথমবার ফিফটি পাওয়া তানজিদ পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।