বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে বিপিএলের মাঝপথে বাংলাদেশে এসেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। নিয়মিত মাঠে যাতায়াত, মাঠে বসে খেলা দেখা, অধিনায়ক ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলার কাজটা করে আসছিলেন সিমন্স। প্রস্তুতি, পরিকল্পনা সাজাচ্ছিলেন নিজের মতো করে। কিন্তু বিপিএলের শেষে আগেই জানতে পারেন, বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশ দল যাবে না ভারতে।
বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাংলাদেশ দলের এখন অফুরন্ত সময়। কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের সুযোগ নেই। তাইতো কোচিং স্টাফরা পাচ্ছেন বাড়তি ছুটি। সিমন্সও আবার উড়াল দিয়েছেন নিজেদের দেশে। ধারণা করা হচ্ছে, জাতীয় দলের পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক সিরিজের আগে সিমন্স এবং কোচিং স্টাফের বাকি সদস্যরা বাংলাদেশে ফিরবেন। বাংলাদেশ দলের পরবর্তী সিরিজ বিশ্বকাপের পর দেশের মাঠে। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজটি হবে ১২ , ১৪ ও ১৬ মার্চ।
পাকিস্তান সুপার লিগের কারণে পাকিস্তানের সফরটি হবে দুই ভাগে। মার্চে ওয়ানডে সিরিজের পর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ মে মাসে। ভবিষ্যৎ সফর সূচীতে টি-টোয়েন্টি সিরিজও ছিল। তবে পরিবর্তিত সূচিতে তা বাদ হয়ে গেছে। সিমন্সরা সিরিজের আগে ফিরলেও ট্রেনারকে আগেভাগেই নিয়ে আসবে বিসিবি। নির্বাচনের পরপরই ক্রিকেটারদের ফিটনেস ক্যাম্প আয়োজন করবে বিসিবি। সাধারণত এমন লম্বা ফাঁকা পাওয়া যায় না ক্রিকেটারদের। তাই ক্রিকেটারদের ফিটনেস ক্যাম্পটা হতে পারে সাত দিনের। ছুটিতে যাওয়ার আগে সিমন্সকে দেখা গেছে বিসিবি কিউরেটর টনি হেমিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে। মিরপুর শের-ই-বাংলা, একাডেমি ও ইনডোরের আউটডোর মাঠে দুজনের আলাপচারিতা বলে দিচ্ছিল, উইকেট নিয়ে তারা কথা বলছেন। আগামীর ব্যস্ত সূচিতে উইকেটের চাহিদা কেমন হতে পারে সেই সম্পর্কেই চলে দুজনের আলাপ।
নির্বাচনের ছুটিতে দেশের ক্রিকেট। নির্বাচনের পর বিসিএলের একদিনের ম্যাচের টুর্নামেন্ট আয়োজনের ভাবনা আছে বোর্ডের। এর আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস ক্যাম্প। দ্রুতই মাঠে খেলা গড়ানোর আশা করলেন সিমন্স, ‘‘বিসিএল শুরু হতে পারে নির্বাচনের পর। আশা করছি দ্রুতই ক্রিকেট ফিরবে।’’