আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই প্রথম মুখোমুখি হলো কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা, তাও আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে। শক্তি, সামর্থ্য, অভিজ্ঞতা ও তারকাখ্যাতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে কানাডা—আর মাঠের ক্রিকেটেও তার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেল।
ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভেন্যু নরেন্দ্র মোদী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কানাডাকে একপ্রকার হেসে-খেলেই হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়ারা জিতেছে ৫৭ রানের বড় ব্যবধানে।
প্রথমে ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে তোলে ২১৩ রান। বড় দলের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা কম থাকায় বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চাপে পড়ে যায় কানাডা। শেষ পর্যন্ত তারা ৮ উইকেট হারিয়ে করতে পারে ১৫৬ রান।
দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের নায়ক ছিলেন পেসার লুঙ্গি এনগিডি। দুর্দান্ত বোলিংয়ে ডানহাতি এই পেসার মাত্র ৩১ রানে শিকার করেন ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ভালো শুরু পায়। উদ্বোধনী জুটিতে ৭০ রান তোলেন আইডেন মার্করাম ও কুইন্টন ডি কিক। ডি কক ২২ বলে ২৫ রান করে আউট হলেও মার্করাম তুলে নেন ফিফটি। তার ২৮ বলের ফিফটিতেই ঝড়ো শুরু পায় প্রোটিয়ারা। দলীয় ১২৬ রানে আউট হওয়ার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ৩২ বলে ৫৯ রান করেন ১০ চার ও ১ ছক্কায়।
তিনে নেমে রায়ান রিকেলটন রানের চাকা অব্যাহত রাখেন। ২১ বলে ৩৩ রান করে তিনি। তরুণ খেলোয়াড় ডেওয়ার্ল্ড ব্রেভিস ভালো করতে পারেননি। ৬ রানে শেষ হয় তার ইনিংস।
পঞ্চম উইকেট জুটিতেই দক্ষিণ আফ্রিকা সবচেয়ে বেশি ভালো করেন। ডেভিড মিলার ও ট্রিটাস স্টাবসের অবিচ্ছিন্ন ৩৯ বলে ৭৫ রানের জুটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের প্রথম দুইশ রানের স্বাদ পায়। দুজনই সমানতালে ব্যাটিং করছেন।
মিলার ২৩ বলে ১ ছার ও ৩ ছক্কায় ৩৯ রান করেন। স্টাবস ১৯ বলে ৩৪ রান তোলেন ২টি করে চার ও ছক্কায়।
কানাডার বোলাররা অতিরিক্ত খাতেই ১৭ রান দিয়েছেন। যা দক্ষিণ আফ্রিকার পুঁজিকে সমৃ্দ্ধ করেছে। কানাডার ব্যাটিংয়ে লড়াই করেন নাভনিত দাহিয়াল। ৪৯ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৬৪ রান করেন তিনি। ম্যাচের সর্বোচ্চ রানটাই আসে তার ব্যাট থেকে। এছাড়া ২৯ বলে ৩৩ করেন হার্ষ ঠাকের। বাকিরা উইকেটে গিয়েছেন আর ফিরেছেন।
এনগিডির ৪ উইকেট বাদে ২ উইকেট নেন মার্কো জানসেন।