কানাডার তরুণ ব্যাটার যুবরাজ সামরা তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন আজ। তাও আবার সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপের মঞ্চে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ে। কিন্তু বৃথা গেল তার সেঞ্চুরি। তার রেকর্ডের মঞ্চে গ্লেন ফিলিপস ও রাচিন রবীন্দ্র ফিফটি হাঁকিয়ে দলকে অনায়াস জয় উপহার দিয়েছেন। তাতে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে সুপার এইটে উঠে গেছে তারাও।
চেন্নাইতে কানাডা আগে ব্যাট করতে নেমে যুবরাজ সামরার ১১০ রানের ইনিংসে ভর করে ৪ উইকেটে ১৭৩ রান করে। জবাবে ফিলিপসের অপরাজিত ৭৬ ও রাচিনের অপরাজিত ৫৯ রানে ভর করে ১৫.১ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে কিউইরা।
যদিও রান তাড়া করতে নেমে ৩০ রানের মাথায় টিম সেইফার্ট (৬) ও ফিন অ্যালেনের (২১) উইকেট হারিয়েছিল তারা। সেখান থেকে রাচিন ও ফিলিপস ১৪০ রানের জুটি গড়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ফিলিপস ৩৬ বলে ৪টি চার ও ৫ ছক্কায় করেন ৭৬ রান। আর রাচিন ৩৯ বলে ৪টি চার ও ৩ ছক্কায় করেন ৫৯ রান।
নিউ জিল্যান্ডের দুটি উইকেটের একটি নেন ডিলন হেইলিনজার এবং অপরটি নেন সাদ বিন জাফর। ব্যাট হাতে অপরাজিত ৭৬ রান ও ফিল্ডিংয়ের সময় তিনটি ক্যাচ নিয়ে ম্যাচসেরা হন নিউ জিল্যান্ডের গ্লেন ফিলিপস।
তার আগে ব্যাট করতে নেমে যুবরাজ সামরা ও দিলপ্রিত বাজওয়ার ব্যাটে ভর করে ১৩.৫ ওভারে ১১৬ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে কানাডা। তাতে বড় সংগ্রহের ভিত পায় তারা।
১১৬ রানের মাথায় বাজওয়া ফিরেন ৪টি চারে ৩৬ রান করে। এরপর ১৫৩ রানে নাভনিত ধালিওয়াল (১০), ১৬০ রানের মাথায় নিকোলাস কির্টন (২) আউট হন।
শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ১৬৪ রানের মাথায় ফিরেন যুবরাজ। যাওয়ার আগে ৬৫ বলে ১১টি চার ও ৬ ছক্কায় ১১০ রানের রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলে যান। তাতে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রানের সংগ্রহ পায় কানাডা। যেটাকে মামুলি বানিয়ে দারুণ খেলে জয় তুলে নেন ফিলিপস ও রাচিন।