:: সংক্ষিপ্ত স্কোর :: পাকিস্তান: ১১৪/১০ (৩০.৪ ওভার) বাংলাদেশ: ৫৯/১ (৭ ওভারে)
৬.১ ওভারেই ৫০ রান পেরিয়ে বাংলাদেশ টার্গেট মামুলি। মাত্র ১১৫। সেই রান তাড়া করতে নেমে মারকুটে ব্যাটিং করছে বাংলাদেশ। ৬.১ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫০ রান তুলে ফেলেছে। দলীয় ২৭ রানের মাথায় সাইফ হাসান ৪ রান করে আউট হয়েছেন। ৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ১ উইকেটে ৫৯। তানজিদ হাসান ২৭ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ১৭ রানে ব্যাট করছেন। জিততে ৪৩ ওভারে প্রয়োজন ৫৬ রান।
ফাহিমের লড়াইয়ের পর ১১৪ রানে অলআউট পাকিস্তান
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলিং তোপে ৮২ রানেই ৯ উইকেট হারিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ফাহিম আশরাফের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ১১৪ রান পর্যন্ত যেতে পারে। ৩০.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে এই রান করে তারা।
ব্যাট হাতে পাকিস্তানের ফাহিম ৪৭ বলে ৬টি চার ও ১ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন। শাহিবজাদা ফারহান ৪টি চারে করেন ২৭ রান। এছাড়া মাআজ সাদাকাত ১৮ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান করেন ১০ রান। বাকিদের কেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের কোটা।
বল হাতে নাহিদ রানা৭ ওভারে ২৪ রানে ৫টি উইকেট নেন। মেহেদী হাসান মিরাজ ১০ ওভারে ২৯ রানে নেন ৩টি উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন তাসকিন ও মোস্তাফিজ।
৮২ রানেই ৯ উইকেট নেই পাকিস্তানের বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নিদারুণ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে পাকিস্তান। ২৪ ওভারে ৮২ রান তুলতেই তারা হারিয়ে বসেছে ৯ উইকেট। ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে দলীয় ৮২ রানের মাথায় তাসকিন আহমেদের শিকারে পরিণত হন মোহাম্মদ ওয়াসিম। ৯টি উইকেটের পাঁচটি নিয়েছেন নাহিদ রানা, ৩টি নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
নাহিদের ৫ ওভারে ৫ উইকেট, কাঁপছে পাকিস্তান:
দেখতে দেখতে নাহিদ রানার ৫ উইকেট হয়ে গেল। টানা ৫ ওভারে ৫ উইকেট পেলেন বাংলাদেশের গতি তারকা। তার সবশেষ শিকার সালমান আগা। দ্রুতগতির শর্ট বলে শর্ট লেগে ক্যাচ দেন সালমান। এর আগে নিজের চতুর্থ ওভারে দারুণ সুইং ডেলিভারীতে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে আউট করেন নাহিদ।
দশম ওভারে মিরাজ নাহিদ রানার হাতে বল তুলে দেন। দ্রুতগতির বোলার প্রথম ওভারে নেন শাহিবজাদার উইকেট। এরপর দ্বিতীয় ওভারে ফিরে পান শামিল হোসেনের উইকেট। তৃতীয় ওভারে তার শিকার মাজ সাদাকাত। সেই ধারাবাহিকতায় চতুর্থ ওভারে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও পঞ্চম ওভারে সালমান আগার উইকেট নিয়ে নাহিদ পেয়ে যান প্রথম ফাইফারের স্বাদ।
বাংলাদেশের কোনো পেসার এতো কম ওভারে এর আগে ৫ উইকেট পাননি। এখন পর্যন্ত ৫ ওভারে ১৮ রানে নাহিদ রানা ৫ উইকেট পেয়েছেন।
নাহিদের তিনে তিন
টানা তিন ওভারে তিন উইকেট নিলেন পেসার নাহিদ রানা। এবার তার শিকার মাজ সাদাকাত।
ফের নাহিদের দ্রুতগতির শর্ট বলে আউট হলেন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান। উইকেটে থিতু হওয়া সাদাকাত নাহিদের শর্ট বল উড়াতে চেয়েছিলেন। বল টপ এজ হয়ে যায় ফাইন লেগে। দৌড়ে সামনে এসে সেই ক্যাচ নেন সাইফ। ২৮ বলে ১৮ রান করে সাদাকাত ফিরলেন সাজঘরে। পাকিস্তান নাহিদের তোপে হারাল তৃতীয় উইকেট।
নাহিদের তোপে শামিল আউট
পরপর দুই ওভারে দুই উইকেট নিলেন নাহিদ রানা। পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর নাহিদের তোপে পুড়লেন শামিল হোসেন। ডানহাতি পেসারের বল তুলে মারতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ৭ বলে ৪ রান করা শামিল।
এর আগে মিরাজের বলে হাওয়ায় ক্যাচ ভাসিয়েছিলেন শামিল। কিন্তু লং অনে রানিং সেই ক্যাচ নিতে পারেননি তানজিদ হাসান। অভিষিক্ত শামিল জীবনটা কাজে লাগাতে পারেননি।
নাহিদ রানা ফেরালেন শাহিবজাদাকে
ভালো শুরুর পর পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারের শেষ বলে উইকেট হারাল পাকিস্তান। বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন পেসার নাহিদ রানা। তিনি ফিরিয়েছেন শাহিবজাদা ফারহানকে। তার শর্ট বলে পয়েন্টে ক্যাচ দেন শাহিবজাদা।
নতুন বলে শুরুতে উইকেট নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় প্রায় ভেস্তে দিচ্ছিলেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত। দুই ওপেনার পাওয়ার প্লে’তে দারুণ ব্যাটিং করে ৪১ রান তুলে নেন।
দুজনেরই আজ অভিষেক হয়েছে। কিন্তু ব্যাটিংয়ে বিন্দুমাত্র জড়তা ছিল না তাদের। প্রথমে তাসকিন ও মোস্তাফিজুরকে সামলানোর পর মিরাজ ও নাহিদকে দেখেশুনে খেলে রান তুলেছেন অনায়েসে।
বাংলাদেশ দশম ওভারের শেষ বলে সাফল্য পায় নাহিদ রানার হাত ধরে। নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে তিনি ফেরান শাহিবজাদাকে। ৩৮ বলে ৪টি চারে ২৭ রান করেন শাহিবজাদা।
উইকেটে নতুন ব্যাটসম্যান শামিল হোসেন।
টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। ইতোমধ্যে টস হয়েছে। টস জিতেছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
টস জিতে মিরাজ বলেছেন, ‘‘আমাদের বোলিং আক্রমণ ভালো। যদি প্রথম ১০ ওভারের মধ্যে কিছু উইকেট নিতে পারি তাহলে ভালো হয়। আমাদের দলে তিনজন ফাস্ট বোলার, দুজন স্পিনার এবং ছয়জন ব্যাটার রয়েছে।’’
পাকিস্তান আজ চারজন নতুন মুখ নিয়ে মাঠে নেমেছে। তারা হলেন- শাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামিল হোসেন ও আবদুল সামাদ। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম পাকিস্তান কোনো ওয়ানডে ম্যাচে একসাথে চারজন খেলোয়াড়ের অভিষেক ঘটাচ্ছে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে এ পর্যন্ত ৩৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র ৫টিতে। পক্ষান্তরে পাকিস্তান জিতেছে ৩৪টি ম্যাচে। আজ ব্যবধান কমে না বাড়ে সেটাই দেখার বিষয়।
বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান।
পাকিস্তান একাদশ: শাহিবজাদা ফারহান, মাআজ সাদাকাত, শামিল হোসেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), সালমান আলী আগা, হোসেন তালাত, আব্দুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহীন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ ওয়াসিম ও আবরার আহমেদ।