তিন দল নিয়ে নারী বিপিএল চট্টগ্রাম ও ঢাকায় ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত আয়োজন করার পরিকল্পনা করেছিল বিসিবি। জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন হবে, ফাইনাল ম্যাচটি হবে বাংলা নববর্ষের দিনে, থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড সহ অন্যান্য দেশের ক্রিকেটাররাও করতে পারবে অংশগ্রহণ। হবে প্লেয়ার্স ড্রাফট।
প্রথমবারের মতো আয়োজিত নারী বিপিএল নিয়ে বেশ আশার আলো দেখাচ্ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও বিসিবির নারী বিভাগ। কিন্তু পরিকল্পনায় ধাক্কা লাগল। বিসিবি জানিয়েছে, তিন মাস পিছিয়ে আগামী ১০ থেকে ২১ জুলাই আয়োজন করা হবে নারী বিপিএলের প্রথম আসর। ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে বগুড়াতেও আয়োজন করা হবে এই প্রতিযোগিতা।
নারী বিপিএলের জন্য তিনটি ফ্রাঞ্চাইজি খুঁজছিল বিসিবি। আগ্রহী প্রতিষ্ঠান মাত্র একটি পেয়েছে এখন পর্যন্ত। টুর্নামেন্ট পিছিয়ে দেওয়ার এটিই অন্যতম কারণ। বিসিবি সেই কথাই জানিয়েছে, “বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের প্রেক্ষিতে, সম্ভাব্য ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্ণধার এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডারদের সাথে পরামর্শের পর, জুলাই মাসে টুর্নামেন্টের সময়সূচী নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি, যাতে স্কোয়াড গঠন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের চুক্তিবদ্ধ করা এবং পরিচালন পরিকল্পনার জন্য দলগুলি বাড়তি সময় পায়।”
বিসিবির দাবি, এপ্রিলের পরিবর্তে জুলাইতে বিপিএল হলে ভালোমানের বিদেশি ক্রিকেটারও পাওয়া যাবে। নতুন সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্ট শুরু হবে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে। পরে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনাল হবে ২১ জুলাই ঢাকায় মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে।