পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ভালো পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
বল হাতে আলো ছড়িয়ে আইসিসি ওয়ানডে বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দশে ফিরেছেন তিনি। নয় ধাপ এগিয়ে ডানহাতি স্পিন বোলার এসেছেন সাত নম্বরে। এছাড়া অলরাউন্ড পারফরম্যান্সেও উন্নতি হয়েছে তার। দুই ধাপ এগিয়ে ওয়ানডেতে দুই নম্বর পজিশনে রয়েছেন মিরাজ। শীর্ষে আছেন আফগানিস্তানের আজমতউল্লাহ উমারজাই।
পুরুষ ক্রিকেটারদের র্যাঙ্কিংয়ের সাপ্তাহিক হালনাগাদ যথারীতি বুধবার প্রকাশ করেছে আইসিসি।
মিরাজ তিন ওয়ানডেতে ৫ উইকেট পেয়েছেন। প্রথম ওয়ানডেতে ২৯ রানে ৩ এবং দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন। তৃতীয় ওয়ানডেতে কোনো সাফল্য পাননি। তাতে নয় ধাপ উন্নতি হয়েছে তার। এর আগেও তিনি শীর্ষ দশে ছিলেন। ওয়ানডে বোলারদের মধ্যে তার ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিং দুই।
বোলিং পারফরম্যান্স দিয়েই অলরাউন্ড র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে তার। কারণ তিন ম্যাচের সিরিজে দুটিতেই ব্যাটিং করার সুযোগ হয়নি তার। একটিতে নেমে করেছেন ১। অলরাউন্ড র্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ উন্নতি হয়েছে তার। ২৮০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে আছেন দুই নম্বরে।
নাহিদ রানা টুর্নামেন্টে ৮ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে হয়েছেন সিরিজ সেরা। র্যাঙ্কিংয়ে নাহিদও বড় লাফ দিয়েছেন। ওয়ানডে বোলারদের তালিকায় ৬৫ ধাপ এগিয়ে প্রথমবার একশ জনের মধ্যে ঢুকেছেন নাহিদ। তার অবস্থান এখন ৯৮তম। এছাড়া তাসকিন আহমেদের ১২ ধাপ উন্নতি হয়েছে। ২৮তম স্থানে আছেন তিনি। মোস্তাফিজুর রহমানের ১৩ ধাপ উন্নতিতে অবস্থান ৪৭তম স্থানে।
ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অনুমিতভাবেই এগিয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। ওয়ানডে সিরিজে ১টি করে সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরি আছে তার। ১৭৫ রান করেছেন। ৩১ ধাপ এগিয়ে ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে ৫৫তম স্থানে আছেন তিনি। এছাড়া তাওহীদ হৃদয় দুই ধাপ এগিয়ে ৩২তম ও লিটন কুমার দাস ১০ ধাপ এগিয়ে ৮২তম স্থানে আছেন।
এদিকে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান সালমান আগার দারুণ উন্নতি হয়েছে। শেষ ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন সালমানও। ৯ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ার সেরা নবম স্থানে আছেন। বোলিংয়ে শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফের একধাপ করে উন্নতি হয়েছে। দুজন আছেন যথাক্রমে ১৭তম ও ১৯তম স্থানে। তাদের চেয়ে এগিয়ে ১৩তম স্থানে আছেন আবরার আহমেদ।