খেলাধুলা

আইপিএল খেলতে হলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের জন‌্য নতুন ‘শর্ত’

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড তাদের খেলোয়াড়দের জন্য নতুন একটি শর্ত দিয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে (যেমন আইপিএল) খেলতে হলে আগে ফিটনেস টেস্টে পাস করতে হবে। এই টেস্টে উত্তীর্ণ হলেই তারা পাবে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’।

এ সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ছে আইপিএল ২০২৬-এ অংশ নিতে যাওয়া কয়েকজন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারের ওপর। যেমন-ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, নুয়ান থুসারা, মাথিশা পাথিরানা এবং ইশান মালিঙ্গার।  এখনও তারা ফিটনেস টেস্ট দেননি। নতুন শর্তের করণে তাদের আইপিএলের শুরু থেকে পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। অন্যদিকে দুশমন্ত চামিরা, পাথুম নিশাঙ্কা এবং কামিন্দু মেন্ডিস  ইতোমধ্যেই ফিটনেস টেস্টে পাস করেছেন এবং তারা খেলার ‍অনুমতিও পেয়েছেন। 

বোর্ডের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নুয়ান থুসারার এনওসি পাওয়া নির্ভর করছে তার ফিটনেস টেস্টের ফলাফলের ওপর। আর হাসারাঙ্গা, মালিঙ্গা ও পাথিরানা এখনও চোট থেকে সেরে ওঠার জন্য পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় থাকায় তারা টেস্ট দিতে পারেননি। 

তাদের বেশিরভাগই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বা চলাকালীন চোটে পড়েন। পাথিরানা আইপিএলের শুরুর অংশ মিস করবেন এবং এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে দলে যোগ দিতে পারেন।

এই কঠোর ফিটনেস নীতির পেছনে রয়েছেন নতুন নির্বাচক প্রমোদ্য বিক্রমাসিংহে এবং শ্রীলঙ্কা সরকারের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মে মাসের আগে শ্রীলঙ্কার কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ না থাকায় এই সময়টিকে খেলোয়াড়দের ফিটনেস উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

বর্তমানে জাতীয় দলের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের জন্য আট সপ্তাহের বিশেষ ফিটনেস ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালু করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। এই প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ২ কিলোমিটার দৌড়সহ বিভিন্ন শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা রয়েছে।

বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে-যেসব খেলোয়াড় নির্ধারিত ফিটনেস মান পূরণ করতে পারবেন, শুধুমাত্র তারাই ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ও আইপিএল ২০২৬-এ খেলার অনাপত্তিপত্র পাবেন।