খেলাধুলা

নেইমারের ছোঁয়ায় ঘুরে দাঁড়াল সান্তোস

দীর্ঘ সময় ধরে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর অবশেষে ঘুরে দাঁড়াল সান্তোস। নেইমারের পারফরম্যান্সে ভর করে রেমোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ব্রাজিল লিগের অবনমন অঞ্চলের বাইরে উঠে এসেছে দলটি।

ভিলা বেলমিরোতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরুটা মোটেই সহজ ছিল না সান্তোসের জন্য। আগের ৪ ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট পাওয়া দলটি আত্মবিশ্বাসের সংকটে ভুগছিল। তার ওপর মাঠে নেইমারকে লক্ষ্য করে একের পর এক ফাউল- মোট ৭ বার তাকে থামানো হয় কঠোর ট্যাকলে।

ম্যাচের শুরুতে জাজা, জে রিকার্দো ও জে ওয়েলিসনের ফাউলে বারবার মাটিতে পড়তে দেখা যায় নেইমারকে। বল পায়ে সান্তোস যেন ছিল একেবারেই পরিকল্পনাহীন। আক্রমণে ধার ছিল না, সৃষ্টিশীলতাও অনুপস্থিত।

তবে ম্যাচের গতিপথ বদলাতে সময় লাগে না। ৪০তম মিনিটে হঠাৎই জ্বলে ওঠেন নেইমার। দারুণ এক পাসে থাসিয়ানোকে এগিয়ে দেন তিনি। আর সেটিই কাজে লাগিয়ে গোল করেন এই মিডফিল্ডার। দীর্ঘ ৬ ম্যাচের গোলখরা কাটে তার।

দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা চাপে পড়ে সান্তোস। রেমো বল দখলে এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে ছিল না প্রয়োজনীয় নিখুঁততা। সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি তারা। শেষদিকে আবারও সামনে আসেন নেইমার। তার নিখুঁত পাস থেকে এস্কোবার বল বাড়ান মোইসেসের কাছে। আর ৮২তম মিনিটে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি (২-০)।

তবে ম্যাচ শেষে কিছুটা হতাশাও আছে সান্তোস শিবিরে। শেষদিকে ফাউলের জেরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে উত্তেজনায় জড়িয়ে হলুদ কার্ড দেখেন নেইমার। ফলে পরের ম্যাচে ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে তাকে পাওয়া যাবে না।

এই মৌসুমে এটি ছিল নেইমারের ৬ষ্ঠ ম্যাচ। এখন পর্যন্ত তার ঝুলিতে ৩ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট। দলের আক্রমণে তিনি যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি আবারও প্রমাণ হলো।

এই জয়ের ফলে সান্তোসের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১০, অবনমন অঞ্চলের থেকে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে তারা। অন্যদিকে রেমো রয়েছে টেবিলের একেবারে নিচে, তাদের সংগ্রহ মাত্র ৬ পয়েন্ট।

আগামী ৫ তারিখে মারাকানায় ফ্লামেঙ্গোর মুখোমুখি হবে সান্তোস। একই দিনে রেমো খেলবে গ্রেমিওর বিপক্ষে।