তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ এ সমতা। নিউ জিল্যান্ড মিরপুর শের-ই-বাংলায় প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পায়। ২৬ রানে হারায় বাংলাদেশকে। দুদিন পর গতকাল সোমবার বাংলাদেশ বদলা নেয়। ৮৭ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের পাওয়া সময়ে সমতা ফেরায় সিরিজে।
২৩ এপ্রিল সিরিজের ফয়সালা হবে চট্টগ্রামে। বন্দরনগরীতে দুই দলের শেষ মহারণে নির্ধারিত হবে তিন ম্যাচ সিরিজের চ্যাম্পিয়ন।
দ্বিতীয় ওয়ানডের পর দুই দলের প্রতিনিধির কাছে ‘ফাইনাল’ ম্যাচ নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছে দুই দল। সঙ্গে একটু কথার লড়াইও।
নিউ জিল্যান্ড দলের ওপেনার নিক কেলি চট্টগ্রামের ম্যাচ নিয়ে বলেছেন, ‘‘অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী (ম্যাচ জিততে) । কয়েকদিন আগেই আমরা ভালো খেলেছি। যদি আজ আরও ৪০-৫০ রান করতাম, ম্যাচটা ভিন্ন হতে পারত। আমরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবো।’’
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউ জিল্যান্ডের হয়ে একাই লড়াই করেছেন কেলি। ব্যাট হাতে করেছিলেন ৮৩ রান। ১৭ রানের জন্য মিস করেন সেঞ্চুরি। দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে আত্মবিশ্বাসের রেণু ছড়িয়ে দেন তিনি। প্রথম ওয়ানডে নিউ জিল্যান্ড লড়াই করেই জিতেছে। শেষ ম্যাচে তারা হাল ছাড়বে না সেটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
কেলির চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশকে জেতানোর নায়ক নাহিদ রানা এসেছিলেন সংবাদ সম্মেলনে। বল হাতে ৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে আগুণ ঝরিয়ে দেন ডানহাতি পেসার। অতিথি দলের আত্মবিশ্বাসের কথা নাহিদ রানাকে জানাতেই শুরুতে শ্রদ্ধা দেখান নাহিদ, ‘‘তারা ভালো দল।’’
একটু পরই বলের গতির মতো শব্দের গতিও বাড়ান তিনি, ‘‘আসলে মুখে ক্রিকেট খেলা হয় না। মাঠে যে ভালো খেলবে সেই জিতবে। আশা করছি যারা ভালো খেলবে তারা জিতবে।’’
তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচ হারের পর পরের দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ের রেকর্ড কম বাংলাদেশের। ওয়ানডেতে এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচের সিরিজের মধ্যে ৪১টিতে প্রথম ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। যার ৩৯টিতেই ঘুরে দাঁড়াতে না পেরে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ।
কেবল ২টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। একটি ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। সবশেষ ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। এবার কী নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারবে বাংলাদেশ? উত্তরটা কেবল সময়ই দিতে পারবে।