খেলাধুলা

বৃষ্টিতে ভেসে গেল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

অপেক্ষা বাড়ল বাংলাদেশের। চট্টগ্রামেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারতে চেয়েছিল। প্রথম ম‌্যাচে দাপটের সঙ্গে জেতার পর দ্বিতীয়টিও জিততে মুখিয়ে ছিল বাংলাদেশ। 

কিন্তু বেরসিক বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে আম্পায়াররা আনুষ্ঠানিকভাবে ম‌্যাচ বাতিল ঘোষণা করেছেন। তখনও বৃষ্টি ঝরছিল। কারো মেঘ সরে গেলেও বৃষ্টি থামার লক্ষণ ছিল না। 

মাঠ থেকে কাভারই তোলা সম্ভব হয়নি। এ কারণে ম‌্যাচ বাতিল করতে হয়েছে অফিসিয়ালদের। আগামী ২ মে ঢাকায় হবে শেষ টি-টোয়েন্টি। আগামীকাল দুই দল একসঙ্গে ঢাকায় ফিরবে। 

টিকিটের অর্থ ফেরত পাবেন সমর্থকরা

এই ম‌্যাচটি দেখতে যারা অনলাইনে টিকিট কেটেছিলেন তাদের অর্থ পলিসি অনুযায়ী ফেরত দেবে বিসিবি।  

বৃষ্টি থামছেই না চট্টগ্রামে

বাংলাদেশ ও নিউ জিল‌্যান্ডের ক্রিকেটাররা ড্রেসিংরুমে অবস্থান করছেন। বৃষ্টি থামার অপেক্ষায় তারা। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি মাঠে গড়ানোর কথা দুপুর ২টায়। কিন্তু বৃষ্টিতে ভেস্তে যেতে পারে ম‌্যাচ। কেননা বৃষ্টি থামছেই না চট্টগ্রামে। 

তুমুল বৃষ্টিতে টস বিলম্ব, অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশ–নিউ জিল্যান্ডের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ও নিউ জিল্যান্ডের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। আগে থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা এখন বাস্তব হয়ে উঠছে।

বুধবার দুপুর ২টায় ম্যাচ শুরুর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে টসই করা যায়নি। সাগরিকার আকাশ ঘন কালো মেঘে ঢাকা, সঙ্গে চলছে ঝড়ো বৃষ্টি ও মাঝে মাঝে বজ্রপাত। ফলে মাঠ কাভার দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।

বৃষ্টি উপেক্ষা করেই দুই দলের ক্রিকেটার ও ম্যাচ অফিসিয়ালরা মাঠে পৌঁছেছেন। তবে খেলোয়াড়রা এখন ড্রেসিংরুমেই সময় কাটাচ্ছেন। বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটার শামীম হোসেন জানান, কোনো সংগীতও চলছে না। সবাই অলস সময় পার করছেন, তবে মানসিকভাবে প্রস্তুত আছেন যেকোনো সময় মাঠে নামার জন্য।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দারুণ পারফরম্যান্সে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে থেকে ঢাকায় ফিরতে চায় স্বাগতিকরা। কিন্তু বৃষ্টির বর্তমান পরিস্থিতিতে খেলা মাঠে গড়ানো নিয়েই শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

যদিও চট্টগ্রামের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো, তবু ম্যাচ শুরু করতে হলে বৃষ্টি থামা জরুরি। কিন্তু আপাতত বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ নেই। পরিস্থিতি এমন থাকলে দুই দলকে ঢাকায় তৃতীয় টি-টোয়েন্টির দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে।