খেলাধুলা

বিসিবি নির্বাচনের ‘ঢোলে বাড়ি’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনের ‘ঢোলে পড়ল বাড়ি’। নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দিয়েছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধনী অ‌্যাডহক কমিটি। সোমবার নিজেদের তৃতীয় বোর্ড সভা শেষে এ ঘোষণা দেয় বিসিবি। বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, নির্বাচনের কাউন্সিলর বা ভোটারদের মনোনয়ন আহবান করা হবে দ্রুতই। পাশাপাশি নির্বাচক কমিশনের কাঠামোও ঠিক করা হয়েছে।

বিসিবি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, “বিসিবির পরবর্তী নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে, বিসিবি সংবিধানের ১২.৭ ধারা অনুযায়ী সকল বিভাগ থেকে কাউন্সিলরদের মনোনয়ন আহ্বান করে শিগগিরই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।”

“নির্বাচন পরিচালনার জন্য তিন সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে বোর্ড। নির্বাচন কমিশনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অথবা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে থাকবে একজন প্রতিনিধি এবং বিসিবি মনোনীত সদস্য থাকবেন দুজন।”

গত ৭ এপ্রিল পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস‌্যের অ‌্যাডহক কমিটি ঘোষণা করে। এই কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে নিদের্শনা দেওয়া হয়। আগামী ৭ জুলাইয়ের আগেই নির্বাচন দিতে হবে এই কমিটিকে।

তবে তামিম অতদূর যাবেন না। নিজেই নিশ্চিত করেছেন জুনের মাঝামাঝি সময়েই নির্বাচন দেবেন। সেই প্রক্রিয়া আজ শুরু হয়ে গেল। এখন ৩০-৪৫ দিনের মধ‌্যে নির্বাচন হয়ে যাবে।

তামিম এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন তা আগেই নিশ্চিত করেছেন। সঙ্গে এ-ও জানিয়েছেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন‌্য পদত‌্যাগ করবেন না অ‌্যাডহক কমিটি থেকে।

‘‘রিজাইনের কথা বলেছেন, এরকম কোন কথা আমরা চিন্তা করিনি। আমি ব্যক্তিগতভাবে এরকম কোন কথাই চিন্তা করিনি। প্রথম দিন থেকে আমি বলেছি, আমি নির্বাচন করবো সভাপতি পদে।’’

তবে সভপতি পদে দায়িত্বে থেকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা কনফ্লিক্ট হবে কি না সেই প্রশ্ন উঠছে৷ তবে তামিম পরিস্কার করেছেন নিজের অবস্থান, ‘‘আমি গঠনতন্ত্র অনুসরণ করবো। গঠনতন্ত্রে যে জিনিসগুলো আমাকে এলাউ করে আমি সেভাবেই আগাব।’’

এদিকে আজকের বোর্ড সভায় আর দুইটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশালে আঞ্চলিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের যে অ্যাডহক কমিটি করেছিল আগে বোর্ড, তা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুই বছরের জন্য বিসিবির বেভারেজ পার্টনার হয়েছে কোকা-কোলা।