খেলাধুলা

বৃষ্টির আগে বাংলাদেশের বোলারদের দাপট

স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ১৮৭/৮ (৪২ ওভার)

বৃষ্টির পূর্বাভাস দিনের শুরু থেকেই ছিল। আকাশ কালো মেঘে ঢেকে ছিল পুরোটা সময়। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের ৪২তম ওভারে ‍হুট করেই নেমে পড়ল ঝুম বৃষ্টি। দৌড়ে মাঠ ছেড়ে ড্রেসিংরুমে আশ্রয় নিয়েছেন ক্রিকেটাররা। 

বৃষ্টিতে খেলা আপাতত বন্ধ। এর আগে বাংলাদেশের বোলারা দেখাল দাপট। ৮১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়া অস্ট্রেলিয়া সপ্তম উইকেটে প্রতিরোধ পায় লাবুশানে ও বার্টলেটের ব‌্যাটে। ১০৩ রানের জুটি গড়েন দুজন। তুলে নেন ব‌্যক্তিগত ফিফটি। 

৪১তম ওভারে তাসকিন এই জুটি ভাঙেন বার্টলেটকে বোল্ড করেন। নতুন ব‌্যাটসম‌্যান অ‌্যাডাম জাম্পাকেও টিকতে দেননি। দুই বলে দুই উইকেট তুলে তাসকিন দারুণভাবে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফিরিয়েছেন। 

এরপর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ আছে। লাবুশানে ৫৫ রানে অপরাজিত আছেন। তার সঙ্গী নাথান এলিস ২ রানে অপরাজিত। 

অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে বাংলাদেশের ‘ছেলেখেলা’

ব্যাট করতে নেমে শূন্য রানে অস্ট্রেলিয়ার তিন উইকেট নেই!  হাজারেরও বেশি ওয়ানডে খেলা দলটির এমন ব্যাটিং চিত্র আগে কখনো দেখা যায়নি। অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘ ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবার এমন কিছু হলো। স্কোরবোর্ডে কোনো রান নেই। অথচ তিন ব্যাটসম্যান সাজঘরে!

মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে এমন করুণ ব্যাটিংয়ের ‍মুখোমুখি হতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। তাসকিন আহমেদ প্রথম ওভারে ফেরান ম্যাথু শর্টকে। ডানহাতি পেসারের বল ছেড়ে বোল্ড হন শর্ট। পরের ওভারের প্রথম বলে মোস্তাফিজুর রহমান তুলে নেন কুপার কোনোলির উইকেট। ওভারের শেষ বলে তার শিকার ম্যাট রেনশ।

ওয়ানডে ক্রিকেটে এমন কিছু চতর্থবার দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। আগের তিন ঘটনার সর্বশেষটি ছিল আবার বাংলাদেশের। ২০০৩ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে পরপর তিন বলে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন পেসার চামিন্দা ভাস। এর বাইরে পাকিস্তানের দুবার এমন হয়েছিল- ১৯৮৩ ও ১৯৯৭ সালে।

শুরুর ওই ধাক্কার পর অস্ট্রেলিয়া কোমড় সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি। ৮১ রান তুলতে ৬ উইকেট হারিয়েছে তারা। ২৬তম ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে অস্ট্রেলিয়ার রান ১১১। জেভিয়ার বার্টলেট ও মার্নাশ লাবুশানে ব্যাট করছেন।

মিডল অর্ডারের দুই বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান অধিনায়ক জশ ইংলিশ ও অ্যালেক্স ক্যারিকে থিতু হতে দেয়নি বাংলাদেশ। ইংলিশ ৩৪ ও ক্যারি ১৩ রানে ফেরেন। গ্রিন ফিরেছেন ২৫ রানে।