অস্ট্রেলিয়া মাথা তুলে লড়াই করে জয়ের পথে ছিল। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে অতিথিরা সেরা ক্রিকেটটাই খেলল মিরপুরের ২২ গজে। নিজেদের ব্র্যান্ডের ক্রিকেট।
বাংলাদেশের দেওয়া ২৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ৪৫ ওভারে ৫ উইকেটে তাদের রান ২৬৬। আগের ওভারে ৩ ছক্কা হজম করে তাসকিন ম্যাচটার এপিটাফ লিখে ফেলেছিলেন। হাতে ৫ উইকেট রেখে শেষ ৩০ বলে দরকার কেবল ৯ রান। ক্রিজে ১৪৯ রানে ব্যাটিংয়ে ছিলেন কুপার কোনোলি। অস্ট্রেলিয়ার ড্রেসিং রুমে তখন জয়ের সুবাতাস বইছিল।
কিন্তু, বাংলাদেশ হারার আগে ম্যাচটা ছেড়ে দেয়নি। ৪৬তম ওভারে শরিফুল ইসলাম জোড়া উইকেট নেন। খরচ করেন ১ রান। ওয়ানডেতে তার প্রথম ফাইফার। মোস্তাফিজুর ৪৭তম ওভারে ৩ রানের বেশি দেননি। ৪৮তম ওভারে শরিফুল ফিরে কোনো রান না দিয়ে তুলে নেন আরো ১ উইকেট। পেতে পারতেন আরো ১টি। কিন্তু স্লিপে অ্যাডাম জাম্পার ক্যাচ তানজিদ হাসান নিতে পারেননি।
শেষ ১২ বলে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ৫ রান। হাতে ২ উইকেট। মোস্তাফিজুর ৪৯তম ওভার করতে এসে ১৪৯ রান করা কোনোলিকে বোল্ড করলে ম্যাচের ভাগ্য বাংলাদেশের পক্ষে ফেরার সম্ভাবনা দেখা যায়। ১৩ চার ও ৬ ছক্কায় ১৩৪ বলে ১৪৯ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের জয়ের জন্য চাই ১ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার ৪ রান। শেষ ওভারে তাসকিন বোলিংয়ে এসে জাম্পার হাতে বাউন্ডারি হজম করলে অস্ট্রেলিয়া হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর স্বস্তি পায়।
হাতে ৩ বল রেখে ১ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয়ে সিরিজের শেষ হাসিটা হেসেছে অস্ট্র্রেলিয়া। এশিয়ার কোনো দল অস্ট্রেলিয়াকে কখনো ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ করেনি।বাংলাদেশের আজ ইতিহাস গড়ার সুযোগ ছিল। উত্তেজনার পারদ ছড়িয়ে রোমাঞ্চকর পরিস্থিতি তৈরি করলেও শেষটার রাঙাতে পারেনি। তাতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই অবশ্যই। অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারানোও অনেক গৌরবের।
বিস্তারিত আসছে …