Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     রোববার   ১৮ এপ্রিল ২০২১ ||  বৈশাখ ৫ ১৪২৮ ||  ০৫ রমজান ১৪৪২

প্রয়োজন আরেকটি সাম্রাজ্যবাদবিরোধী মুক্তিযুদ্ধ: যতীন সরকার

সঞ্জয় সরকার || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:১৫, ৫ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ১৫:০১, ৫ এপ্রিল ২০২১
প্রয়োজন আরেকটি সাম্রাজ্যবাদবিরোধী মুক্তিযুদ্ধ: যতীন সরকার

যতীন সরকার। শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও সাম্যবাদী তাত্ত্বিক। মুজিব জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সম্প্রতি তাঁর মুখোমুখি হয়েছিলাম আমরা। দীর্ঘ আলাপচারিতায় তিনি বিশ্লেষণ করেছেন- স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমাদের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, অর্জন-বিচ্যুতির নানা প্রসঙ্গ। তুলে ধরেছেন আরেকটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তার কথা।  সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাংবাদিক, ছড়াকার সঞ্জয় সরকার।

রাইজিংবিডি: একইসঙ্গে মুজিব জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আপনার ভাবনা যদি আমাদের বলতেন। 

যতীন সরকার: বলতে গেলে দুটো বিষয় কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে! যদিও দুটো ঘটনাই আমাদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সেই তাৎপর্য রক্ষা করতে হলে, আমাদের প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কী চেয়েছিলেন এবং তাঁর যথাযথ উত্তরাধিকার আমরা বহন করছি কিনা, নাকি সেই উত্তরাধিকার থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছি- খতিয়ে দেখতে হবে।

রাইজিংবিডি: স্বাধীনতার ৫০ বছরে আমরা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি বলে আপনি মনে করেন? 

যতীন সরকার: কথা ছিল- এই ৫০ বছরে আমরা স্বাধীনতার মূল্যবোধকে যথাযথ অর্থে প্রতিষ্ঠা করবো। এ প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গেলে, আমরা কী কারণে স্বাধীনতা চেয়েছিলাম, পাকিস্তান থেকে কেন আলাদা হয়ে যেতে চেয়েছিলাম, একটা পাকিস্তানের বদলে দুইটা পাকিস্তান চেয়েছিলাম কিনা- বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ভাবতে হবে। প্রকৃত প্রস্তাবে আমরা চেয়েছিলাম, পাকিস্তান থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এমন একটি রাষ্ট্র হবে, যে রাষ্ট্রে মানুষে-মানুষে, ধর্মে-ধর্মে বিভেদ থাকবে না। লক্ষ্য হবে এমন একটি সমাজব্যবস্থা; যাকে আমরা বলি- শোষণমুক্ত সমাজব্যবস্থা। এ জন্যই সমাজতন্ত্রকে আমরা লক্ষ্যবিন্দুতে রেখেছিলাম। সেই লক্ষ্যবিন্দুতে আমরা যেতে পেরেছি কিনা- খতিয়ে দেখা উচিত। তবে একেবারেই যে কিছু পাইনি তা নয়। এই যে আজ ৫০ বছর পরে জাতিসংঘ পর্যন্ত বলছে, আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উপনীত হতে যাচ্ছি- এটিও বিশাল অর্জন! আমরা যদি যথার্থ অর্থে সমৃদ্ধি অর্জন করতে না পারতাম, তাহলে জাতিসংঘ এমন কথা বলত না। আমরা সাম্রাজ্যবাদকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নিজেরাই পদ্মাসেতু নির্মাণ করতে পেরেছি- এটিও বড় একটি অর্জন। আগে আমাদের যে পরিমাণ দারিদ্র্য ছিল, এখন সে পরিমাণ নেই। দারিদ্র্য দূরীকরণে আমরা অনেক দূর অগ্রসর হয়েছি। আমাদের আরো অনেক অর্জন রয়েছে। তাই বলে, আমাদের অর্জন ও প্রাপ্তি নিয়ে আত্মপ্রসাদে বুঁদ হয়ে থাকা মোটেই ঠিক নয়। 

রাইজিংবিডি: স্বাধীনতার চারটি মূলমন্ত্রের (গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্র) কতটুকু অর্জন বা রক্ষা করতে পেরেছি আমরা? যেটুকু বাস্তবায়ন হয়নি এর পেছনের কারণগুলো আপনার কাছে কী মনে হয়? 

যতীন সরকার: আপনার আগের প্রশ্নের কিছু উত্তর এখানেও পাবেন। সত্যি বলতে, আমরা যে ধরনের ধর্মনিরপেক্ষতা চেয়েছিলাম, জাতীয়তাবাদ যেভাবে গঠিত হবে বলে মনে করেছিলাম, এবং যে ধরনের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে চেয়েছিলাম; স্বাধীনতার পরে সেদিকে অগ্রসর হতেও শুরু করেছিলাম। সমাজতন্ত্র আমাদের লক্ষ্য বিন্দুতে ছিল। স্বাধীনতার চারটি মূলনীতি প্রতিষ্ঠা করার জন্য স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি অর্থাৎ ধর্মকে যারা রাজনীতির হাতিয়ার করে ফেলেছিল- সেই শক্তিকে আমরা বিপর্যস্ত করেছিলাম। সেই শক্তির যাতে পুনরুত্থান ঘটতে না পারে সেজন্য সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলাম। কিন্তু আমরা যখন এভাবে অগ্রসর হচ্ছিলাম তখনই বিপর্যয় দেখা দিলো। অনেক অভাব-অভিযোগ সামনে এলো। দুর্ভিক্ষ পর্যন্ত মোকাবিলা করতে হলো। কিন্তু সেই অবস্থায়ও আমরা কিন্তু মূলমন্ত্র থেকে সরে যাইনি। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, একটা বিশেষ সময় পর্যন্ত (তিন বছর) আপনাদের আমি কিছুই দিতে পারব না। আমরা মেনে নিয়েছিলাম। তখনও লক্ষ্য করেছি- আমরা স্বাধীনতার মূলমন্ত্রের দিকে ক্রমশ অগ্রসর হচ্ছি। ঠিক সেই সময়ে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি সাম্রাজ্যবাদীদের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে স্বাধীনতার চারটি মূল নীতিকে বিপর্যস্ত করে তুলল। আমাদের সংবিধানকে কেটেকুটে এমন একটা অবস্থায় নিয়ে এলো যার সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সম্পর্ক প্রায় নেই বললেই চলে। এদের হাতে আমাদের জাতীয়তাবাদ ‘বাঙালি’র বদলে ‘বাংলাদেশী’ হয়ে গেল। ধর্মনিরপেক্ষতা লোপাট করে দিলো। গণতন্ত্রের নামে চালাল প্রহসন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে  সাম্প্রদায়িক রাজনীতি আবার ফিরে এলো। জামায়াতে ইসলামীর মতো সাম্প্রদায়িক এবং বাংলাদেশবিরোধী দলও ক্ষমতার অংশীদার হয়ে গেল। 

দীর্ঘ ২১ বছর পরে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলেও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আমাদের যে অর্জনগুলো নষ্ট করে দিয়েছিল- সেগুলো পুরোপুরি পুনরুদ্ধার আমরা করতে পারিনি। আমরা তাদের নিষ্ক্রিয় তো করতে পারিইনি, উপরন্তু এই কিছুদিনের মধ্যে এমন অনেকগুলো ঘটনা দেখেছি, যেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের হাতে নানাভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক শক্তি ধর্মনিরপেক্ষতা বিসর্জন দিয়ে আবারও পাকিস্তানকেই ফিরিয়ে আনতে চায়। কাজেই এই অবস্থায় আমরা যা চেয়েছিলাম তা যথার্থ অর্থে বাস্তবায়ন করতে পেরেছি- সে কথা কি করে বলতে পারি?

রাইজিংবিডি: অর্থাৎ ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ ইস্যুতে আমরা আগের জায়গাই নেই। 

যতীন সরকার: ঠিক তাই। যদিও স্বাধীনতার পক্ষশক্তি (যে দলটি স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিল) এখন ক্ষমতায়। তবুও একটা বিশেষ ধর্ম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে (যা ইতিপূর্বে করা হয়েছিল) এখনও বজায় আছে। একটি বিশেষ ধর্মকে যদি রাষ্ট্রধর্ম করা হয়, তাহলে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা কি এই রাষ্ট্রে প্রথম শ্রেণির নাগরিক হিসেবে থাকতে পারে? না তারা দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক হয়ে যায়? এমন একটি অবস্থার কারণেই আজ বিভিন্ন নামে নতুন সাম্প্রদায়িক সংগঠনের উত্থান সম্ভব হচ্ছে। কাজেই ধর্মনিরপেক্ষতার ইস্যুতে আমরা অগ্রসর তো হতে পারিইনি, বরং আরও পিছিয়ে গেছি- এতে সন্দেহের অবকাশ নেই।  

রাইজিংবিডি: এখন তাহলে করণীয় কী হতে পারে?  

যতীন সরকার: সোজা কথা হচ্ছে, একটা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গড়তে হলে আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে- যারা ধর্মনিরপেক্ষতাবিরোধী, ধর্মকে যারা রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত করে দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নামা। এবং যেভাবে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের পরে আমাদের সংবিধানটিকে গ্রহণ করেছিলাম, সেই সংবিধান যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রাষ্ট্রধর্মও থাকবে, আবার রাষ্ট্রের চার মূল নীতিও থাকবে- এটা গোঁজামিল। এই গোঁজামিলের অবসান প্রয়োজন।    

রাইজিংবিডি: এ ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক আন্দোলন কতখানি ভূমিকা রাখতে পারে বলে আপনি মনে করেন? 

যতীন সরকার: এ প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে আমাদের ইতিহাসের দিকে তাকাতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমাদের ভাষার ওপর আঘাত হানা হয়েছিল। ভাষার ওপর আঘাত মানে মূল সংস্কৃতির ওপর আঘাত। তখন আমরা বুঝে গেলাম, আমাদের ভাষা রক্ষা করতে হলে, সাংস্কৃতিক আন্দোলনে নামতে হবে। সেই সাংস্কৃতিক আন্দোলনে নামার মধ্য দিয়ে আমরা ভাষাকে রক্ষা করার জন্য যে প্রয়াস নিয়েছিলাম সেটাই একসময় একটি রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত হলো। সেই রাজনৈতিক আন্দোলনই পরবর্তীতে স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপ নিলো। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আবারও পাকিস্তানের ভূতকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনে। এ জন্য আমরাও দায়ী। বুদ্ধিজীবীরাও দায়ী। আজকের দিনেও লক্ষ্য করছি, মুজিববর্ষ বা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে পত্র-পত্রিকা বা টেলিভিশনে যেসব কথা বলা হচ্ছে, সেখানে বঙ্গবন্ধু শোষিতের গণতন্ত্র বাস্তবায়নে যে চার দফা কর্মসূচি দিয়েছিলেন এবং তাঁর বহুমুখী সমবায়ের কথাগুলো কারও মুখে শুনছি না। কেন শুনছি না? তার মানে বঙ্গবন্ধুর যে প্রকৃত উত্তরাধিকার- সেখান থেকে আমরা অনেক দূরে সরে গিয়েছি।

পৃথিবী শোষক ও শোষিত- এই দুভাগে ভাগ হয়ে গেছে- বঙ্গবন্ধু স্পষ্ট উপলব্ধি করেছিলেন; এবং দ্ব্যার্থহীন ভাষায় ঘোষণা দিয়েছিলেন ‘আমি শোষিতের পক্ষে’। গণতন্ত্রের প্রয়োগরীতিতে তিনি এক নতুন মাত্রা সংযোজন করেছিলেন,  যার নাম দিয়ছিলেন ‘শোষিতের গণতন্ত্র’। এর বাস্তবায়নে তিনি যে চার দফা কর্মসূচি দিয়েছিলেন সেগুলোকে আমাদের উপলব্ধিতে আনতে হবে। সেগুলো হচ্ছে: ১. বাধ্যতামূলক বহুমুখী গ্রাম সমবায় গঠন; ২. মধ্যস্বত্বভোগী গ্রামীণ জোতদার, মহাজন, ধনিক শ্রেণির উচ্ছেদ; ৩. উৎপাদন ব্যবস্থা ও উৎপাদন শক্তির বিকাশ সাধন ও ৪. আমলাতন্ত্রের বিলুপ্তি এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে ব্যাপক গণতন্ত্রায়ণ। সমাজের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের জন্য বঙ্গবন্ধু সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছিলেন বহুমুখী সমবায়ের ওপর।

‘শোষিতের গণতন্ত্র’ তথা মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পথে সবচেয়ে বড় বাধা যে সাম্রাজ্যবাদ- ভুলে গেলে চলবে না। বঙ্গবন্ধু এই অপশক্তি সম্পর্কে অবশ্যই সচেতন ছিলেন। এই অপশক্তির হাত থেকে দেশ রক্ষার পথেরও সন্ধান তিনি করেছিলেন। কিন্তু তাঁর চলার পথে অনেক কাঁটা বিছিয়ে রাখা হয়েছিল। যে কারণে তিনি সবকিছুর পূর্ণ বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। কাজেই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে আমাদের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি সম্পর্কে বলতে গিয়ে এ বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। সুতরাং আমার বক্তব্য হচ্ছে: সাম্রাজ্যবাদ সম্পর্কে পুরোপুরি মোহমুক্ত না হয়ে, এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামে অবতীর্ণ না হয়ে, আমাদের অপহৃত বিজয়ের পুনরুদ্ধার ঘটানো একেবারেই অসম্ভব। বুঝে নিতে হবে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ মূলত সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। সে যুদ্ধে বিজয়ী হয়েও যে বিজয় আমরা হারিয়ে ফেলেছি, সেই হারানো বিজয় ফিরিয়ে আনার একমাত্র উপায় নতুন আরেকটি সাম্রাজ্যবাদবিরোধী মুক্তিযুদ্ধ। 

কাজেই কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর প্রতি দায়িত্ব চাপালে চলবে না। স্বাধীনতার পরই আমাদের মস্তিষ্ক এক ধরনের নিস্তেজনায় আক্রান্ত হয়ে গিয়েছিল। এটা আমাদের খুব বড় ভুল হয়ে গিয়েছে। আমরা মনে করেছিলাম, আমাদের দেশ যখন স্বাধীন হয়ে গেছে, তখন আমাদের সব কাজ ফুরিয়ে গেছে। সবকিছু আপনাআপনি হয়ে যাবে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু যে ৭ মার্চের ভাষণে বলেছিলেন: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। তার মানে স্বাধীনতা পেলেও স্বাধীনতাকে রক্ষা করা যায় না, যদি মুক্তির সংগ্রামকে অগ্রসর করে নেয়া না যায়। কাজেই প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতার স্বাদ পেতে হলে মুক্তির সংগ্রাম আমাদের চালিয়ে যেতে হবে। আর এ কারণেই সাংস্কৃতিক আন্দোলন নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে। তরুণ প্রজন্ম এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করি।

ঢাকা/তারা 

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়