ঢাকা, সোমবার, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৬ আগস্ট ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

যমুনাপাড়ে ত্রাণের জন্য হাহাকার

সেলিম আব্বাস : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৭-২১ ২:৪১:৩৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৭-২২ ৮:২৬:৩৯ এএম
যমুনাপাড়ে ত্রাণের জন্য হাহাকার
Walton E-plaza

জামালপুর সংবাদদাতা: পানি নামতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি জামালপুরের বানভাসিদের। এখনও পানিবন্দি হয়ে আছে এখানের ১২ লাখ মানুষ।

একদিকে খাদ্য সংকট অপরদিকে বিশুদ্ধ পানির অভাবে বন্যার পানি পান করে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে বন্যা কবলিত এলাকার লোকজন।

অনেকেই এই দুর্যোগে বাঁচা-মরার লড়াই করে যাচ্ছে। যমুনাপাড়ের দুর্গত এলাকাগুলোতে ত্রাণের জন্য হাহাকার চলছে। যেটুকু ত্রাণ দেওয়া হয়েছে তাতে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও অনাহারিদের অধিকাংশই বাদ পড়েছে।

অবশ্য পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ রয়েছে। ত্রাণের কোন সংকট নেই পর্যায়ক্রমে ত্রাণ বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হচ্ছে বলে জানালেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবির।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, দুর্গত এলাকায় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দিতে জামালপুরের বন্যাকবলিত ৭টি উপজেলায় ৮০টি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে।

তবে বিভিন্ন উপজেলার আশপাশে মেডিক্যাল টিম কাজ করলেও দুর্গম এলাকাগুলোতে যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলি, পাথর্শী, কুলকান্দি, সাপধরী ও নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের দুর্গত এলাকার পানিবন্দি মানুষজন।

অবশ্য দুর্গম এলাকাগুলোতে পানিবন্দি মানুষের চিকিৎসা সেবা দিতে মেডিক্যাল টিম পাঠানো হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সিভিল সার্জন ডাঃ গৌতম রায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের পানি হ্রাস পেতে শুরু করলেও জামালপুরে বন্যার সার্বিক পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১১৪ সে.মি. ও ব্রহ্মপুত্রের পানি ফেরিঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১৬ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি ছড়িয়ে পড়ছে নতুন নতুন এলাকায়।

 

রাইজিংবিডি/জামালপুর/২১ জুলাই ২০১৯/সেলিম আব্বাস/টিপু/শাহনেওয়াজ

Walton AC
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন
       

Walton AC
Marcel Fridge