ঢাকা, শনিবার, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২৩ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

‘সীমান্তে মাইন স্থাপন করেনি মিয়ানমার’

কক্সবাজার প্রতিনিধি : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১০-১৫ ১০:২২:২৭ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১০-১৫ ১০:২২:২৭ এএম

মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি জানিয়েছে, তাদের সীমান্তে কোনো ধরনের মাইন স্থাপন করা হয়নি। বলেছেন, বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজেদুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘সীমান্তে গুলি বর্ষণ ও মাইন বিস্ফোরণে বিষয়ে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতাসহ সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম বন্ধে একসঙ্গে কাজ করবেন বলে তারা সম্মত হয়েছেন। তবে তাদের সীমান্তে কোনো ধরনের মাইন স্থাপন করা হয়নি বলে অস্বীকার করেছেন।’

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) রিজিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকমীদের তিনি এ কথা জানান।

টেকনাফ সমুদ্রসৈকতের তীর ঘেষা আবাসিক হোটেল ‘সেন্ট্রাল রির্সোট’এর সম্মেলন কক্ষে সোমবার বেলা ১১ টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দু’দেশের প্রতিনিধি দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজেদুর রহমান বলেন, ‘উভয় দেশের মধ্যে সু-সম্পর্ক বজায় রাখা, ইয়াবাসহ সব ধরনের মাদক, মানবপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে তারা ঐক্যমত পোষণ করেন। দু দেশের সীমান্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি খেলাধুলার আয়োজন নিয়েও কথা হয়। এসব বিষয়গুলো নিয়ে দুদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্বাক্ষর করা হয়েছে।’

এর আগে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ১নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিং টুই এর নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল স্পিড বোট যোগে টেকনাফ-মিয়ানমার ট্রানজিট ঘাটে এসে পৌঁছে। প্রায় সাড়ে সাত ঘন্টা ব্যাপী এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকমীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার আরো বলেন, ‘সেদেশে কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইয়াবা পাচারে জড়িত, ইয়াবার টাকা তারা অবৈধ অস্ত্রসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছেন। মিয়ানমার থেকে ইয়াবা পাচার ঠেকাতে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হলে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং তাই মিয়ানমারেও ইয়াবা বিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছেন বলে জানান।’

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন-ডেপুটি রিজিয়ন কমান্ডার কর্ণেল মুরাদ জামান, সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মো. মনজুরুল হাসান খান, নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আসাদুজ্জামান, কক্সবাজার ৩৪ অধিনায়ক লে. কর্ণেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ, স্টাফ কর্মকর্তা লে. কর্ণেল সরকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, স্টাফ কর্মকর্তা লে. কর্ণেল মো. তাজুল ইসলাম, কমান্ডিং কর্মকর্তা লে. কর্ণেল জাহিদুর রহমান, ২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. ফয়সল হাসান খান ও অতিরিক্ত পরিচালক মেজর রবায়াৎ কবীর প্রমূখ।

টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. ফয়সল হাসান খান বলেন, সন্ধ্যা সাতটার দিকে মিয়ানমার প্রতিনিধি দলটি একই এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের উদ্দেশ্যে টেকনাফ ত্যাগ করেছেন।



কক্সবাজার/ সুজাউদ্দিন রুবেল/টিপু

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন