ঢাকা, রবিবার, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ, তদন্ত কমিটি

জেলা প্রতিনিধি : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১০-১৮ ৭:৫৮:৫৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১০-১৮ ৮:১৬:৪৬ পিএম

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়ায় নির্মিত ওষুধ প্রস্তুতকারী রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান  এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনা তদন্তে কোম্পানির ব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন) শাহাবুদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা অবরুদ্ধ করে রাখে কর্মকর্তাদের। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। ছবি ভাংচুরের বিষয়ে কর্মচারী ইউনিয়ন ও কর্মকর্তারা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, এ কারখানায় কর্মচারী ইউনিয়নের কোনো কমিটি নেই। কাজী ইউসুফ নিজেকে স্বঘোষিত সভাপতি ও আজিজ চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক দাবি করে প্লান্টের মূল ভবনের সেন্ট্রাল অয়্যার রুম দখল করে কর্মচারী ইউনিয়নের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। এ প্লান্টটিতে প্রকল্পের কাজ এখনো সমাপ্ত হয়নি। প্রকল্পের কাজ কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। তাই এখানে সিবিএ বা ইউনিয়নের কার্যক্রমের বৈধতা নেই।

দুদক এই কারখানা পরিদর্শন করে মূল ভবন থেকে সিবিএ কার্যালয় সরিয়ে নিতে বলেছিল জানিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, তাদের (সিবিএ) প্লান্টের মূল ভবনের রুম ছেড়ে দিতে দু’ মাস আগেই জানানো হয়। কিন্তু তারা রুম ছাড়েনি। তাই কোম্পানির এমডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ওই রুমে প্লান্টের মেশিনসহ মালামাল ঢোকানো হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কর্মচারী ইউনিয়নের লোকজন সন্ধ্যার দিকে ওই রুমের পেছনের দিকে গ্লাসবিহীন জানালা দিয়ে কোনো কিছুর সাহায্যে ধাক্কা দিয়ে দেয়ালে টানানো বঙ্গবন্ধুর ছবি ফ্লোরে ফেলে ভাংচুর করে। পরে তারা উল্টো কর্মকর্তাদের অভিযুক্ত করে অবরুদ্ধ করে রাখে।

অন্যদিকে, কাজী ইউসুফ এ ঘটনার জন্য কর্মকর্তাদের দায়ী করে বলেন, ‘‘তারা আমাদের ফাঁসাতে ওই রুমে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভেঙেছে। ঘটনার সময় ওই রুমের সামনে কর্মকর্তাদের পাহারাদার কর্মরত ছিলেন। রুমে তালা দেয়ার প্রতিবাদে আমরা গেট বন্ধ করে প্রতিবাদ করেছি। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমরা সেখান থেকে চলে আসি।’’

গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দিতে বলেছেন। অভিযোগ পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


গোপালগঞ্জ/বাদল সাহা/বকুল

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন