ঢাকা, বুধবার, ২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ই-ট্রাফিক সিস্টেম চালু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১০-২২ ৯:০৭:৩১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১০-২২ ৯:০৭:৩১ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস পয়েন্ট টু সেলের (পিওএস) মাধ্যমে ই-ট্রাফিক সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা পুলিশ লাইনে প্রধান অতিথি হিসেবে এই সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) খন্দকার গোলাম ফারুক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) (পুলিশ সুপার পদোন্নতি প্রাপ্ত) আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কসবা সার্কেল) আব্দুল করিম, ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান।

অনুষ্ঠানে ই-ট্রাফিকের সহায়তায়কারী প্রতিষ্ঠান মুঠোফোন কোম্পানি গ্রামীণফোন ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাথে জেলা পুলিশের চুক্তি হয়। পরে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিরা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে একটি গাড়িকে আটকের পর মামলা প্রদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

পুলিশ সুত্রে জনা গেছে, ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে ট্রাফিক বিভাগের সব কাজ আধুনিকায়ন করার জন্য এই ই-ট্রাফিক পাইলট প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ট্রাফিক পুলিশ বর্তমানে একটি ছক বাঁধা কাগজে মামলা লিখে দেয়। পরবর্তী সময়ে উক্ত মামলার জরিমানা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে চালক অথবা মালিক নিজে  সোনালী ব্যাংকে গিয়ে জমা প্রদান করে।

ই-ট্রাফিক পদ্ধতি চালু হলে বিভিন্ন অভিযোগে জরিমানা দেয়ার ভোগান্তি লাঘব হবে। জেলা ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা ই-ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করবে। একটি ইলেট্রনিক ডিভাইস (পিওএস) যা হাতে প্রিন্ট আকারে ছক করা থাকবে। ট্রাফিক কর্মকর্তা শুধু আইন লঙ্ঘনকারী গাড়ি বা চালকের তথ্য, জব্দ করা দলিলের তথ্য লিখে লঙ্ঘিত আইনের ধারা উল্লেখ করে মামলার ডাটা ইনপুট দিবে। এরপর ঐ যন্ত্র থেকে একটি কাগজের স্লিপ বের হয়ে আসবে। এ স্লিপে অপরাধের ধরন অনুযায়ি জরিমানার টাকার পরিমাণ উল্লেখ থাকবে।

এরপর উক্ত ব্যক্তি ‘ইউ-ক্যাশ’ অথবা বিকাশের মাধ্যমে উল্লিখিত জরিমানার টাকা পরিশোধের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করে জব্দকৃত দলিল তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ে যেতে পারবে। এছাড়াও পস-ডিভাইসের মাধ্যমে যানবাহনের রেজিস্ট্রেশনের নাম্বার, চেসিস ও ইঞ্জিন নাম্বার, ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই-বাছাই, গাড়ির ট্যাক্স টোকেন সংক্রান্ত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই-বাছাই করা যাবে। ই-ট্রাফিক সিস্টেম চালু হওয়ার ফলে মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমবে ও ব্যক্তির সময় বাঁচবে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া/মাইনুদ্দীন রুবেল/হাকিম মাহি

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন