ঢাকা, শুক্রবার, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

কুয়াকাটা ছাড়ছেন পর্যটক

বিলাস দাস : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১১-০৯ ৩:৪৭:৩৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১১-০৯ ৩:৪৭:৩৪ পিএম

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আতঙ্কে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ছাড়ছেন অসংখ‌্য পর্যটক।

নিরাপত্তার স্বার্থে তারা সমুদ্র সৈকত ছেড়ে নিজ নিজ জেলায় ফিরছেন।

শনিবার বেলা ১১টার পর আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে উপকূলীয় এলাকায় ১০ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করে। এরপর থেকে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন আরো সতর্ক রয়েছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে দফায় দফায় চলছে মাইকিং। লাল নিশান উড়িয়ে সর্তক করা হচ্ছে সাধারণ জনগণকে।

মহিপুর থানা ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যটকদের কুয়াকাটা ত্যাগ করতে এক রমক বাধ্য করা হচ্ছে। থমথমে অবস্থায় জনমনে আতঙ্ক  বিরাজ করছে।

জনসাধারণের ধারণা, ২০০৭ সালে সিডরের মতই বুলবুল ভয়াবহ আঘাত হেনে বিধ্বস্ত করবে উপকূল।

শুক্রবার রাত থেকে ভারি বর্ষণ শুরু হয় পটুয়াখালী জেলার সর্বত্র। অব্যাহত বৃষ্টির পাশাপাশি বইঝে ঝড়ো বাতাস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্তক বাণীর পর সকল মাছ ধরার ট্রলার বন্দরে নোঙর করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে পটুয়াখালী আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ১০ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। আজ বিকেল থেকে রাতের মধ্যে পটুয়াখালীতে বুলবুল আঘাত হানতে পারে।

পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে বুলবুল পশ্চিম ও দক্ষিণে সোয়া ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। তবে এটি ক্রমশই উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। এপর্যন্ত জেলায় ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে পটুয়াখালী থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। এ দিকে পটুয়াখালী বাস টার্মিনাল থেকেও সীমিত সংখ‌্যাক বাস ছেড়েছে।

ঢাকা থেকে কুয়াকাটায় বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে আসা সাংবাদিক তানভীর রাসিব হাশেমি বলেন, আমরা আট বন্ধু মিলে কয়েক দিনের জন‌্য বেড়াতে এসেছিলাম। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে এখন কুয়াকাটা ছাড়তে হচ্ছে। কিন্তু ঠিক মতো গাড়ি না চলায় বিপদে পড়েছি।

মহিপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) সোহেল আহম্মেদ বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে আবহাওয়া খারাপ হলে একাধিক পর্যটক যে যার মত করে স্থানীয় মসজিদ, মন্দিরসহ নিরাপদে স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। সকালে তাদের নিরাপত্তা দিয়ে নিজ জেলা শহরে ফিরতে পুলিশ সহযোগিতা করছে। পাশাপাশি আমরা বাকিদের নিরাপদে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্ততি নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসনসহ সবগুলো ইউনিটকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক সেচ্ছাসেবী দল মাঠে রয়েছে।


পটুয়াখালী/বিলাস/ইভা

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন