ঢাকা, শুক্রবার, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

শিশু তুহিন হত্যায় নির্ভুল চার্জশিট দেয়া হবে

জেলা সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১১-১২ ১০:৩৮:২৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১১-১২ ১০:৩৮:২৪ পিএম

সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিপিএম বলেছেন, ‘দিরাইয়ের পাঁচ বছরের শিশু তুহিন হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট নির্ভুলভাবে দ্রুততার সঙ্গে প্রদান করা হবে।’

মঙ্গলবার দুপুরে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘শিশু তুহিনকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনার পর গ্রেপ্তারকৃত তুহিনের চাচা নাছির মিয়া ও মৃত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে (চাচাতো ভাই) শাহরিয়ার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয়। এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তারকৃত তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, চাচা আব্দুল মছব্বির এবং জমশেদ মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে দুই দফা রিমান্ডে নেয়ার পরও তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। এই তিনজনসহ এই মামলার পাঁচ আসামি কারাগারে রয়েছেন। ’

গত ১৪ অক্টোবর রাতে দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউরা গ্রামের সাড়ে পাঁচ বছরের শিশু তুহিনকে নির্মমভাবে গলা, কান ও লিঙ্গ কেটে হত্যা করা হয়। খুনিরা তুহিনের পেটে দুটি বড় বড় ছুরি ঢুকিয়ে বাড়ির পাশে কদম গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখে।

ওই দিনই দুপুরে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, চাচা আব্দুল মছব্বির, জমশেদ মিয়া, নাছির মিয়া, জাকিরুল, তুহিনের চাচি ও চাচাতো ভাই মৃত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে শাহরিয়ার এবং চাচাতো বোনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের থানায় নেয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরিবারের তিন সদস্য হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার সত্যতা পায় পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে, অধিকতর জিজ্ঞাসার জন্য তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির ও চাচা আব্দুল মছব্বির এবং জমশেদ মিয়ার পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দিরাই থানার সাব-ইন্সপেক্টর আবু তাহের।

আদালত শুনানী শেষে ওই দিন প্রথম দফায় এই তিনজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে আবার রিমান্ডে নেয়া হয়েছিল এই তিনজনকে। রিমান্ড শেষে আদালতের আদেশে জেল হাজতে পাঠানো হয় তাদের।

এছাড়া চাচা নাছির মিয়া ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার ঘটনার দুই দিন পরই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয়।

এদিকে মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার জানান, সুনামগঞ্জের নদীপথে চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। জেলায় কিশোর গ্যাং আছে কি না তাও খুঁজছে পুলিশ।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।


সুনামগঞ্জ/আল আমিন/সনি

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন