ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৬ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২২ ১৪২৭ ||  ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

গ্রামের বসের দাম ১৫ লাখ

|| রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০২:৪২, ১৪ জুলাই ২০২০  

তিনি বস, ‘গ্রামের বস’। নরসিংদীর বেলাব উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের সল্লাবাদ গ্রামের রাজিব প্রধান শখ করে ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘গ্রামের বস’।

কোরবানির হাটে তোলার আগেই তিনি তার বসের দাম হেঁকেছেন ১৫ লাখ টাকা। বসের সাথে আরও একটি ষাঁড় রয়েছে রাজিবের। তবে নাম এখানো ঠিক করেননি। ষাঁড়টির নামকরণের কথা বলতে গিয়ে রাজিব জানান, ‘গ্রামের বস’ নাম রাখার কারণ এই ইউনিয়নে এরকম ষাঁড় আর নেই। ষাঁড়টি এই এলাকার সেরা ষাঁড়। তাই তার এই নাম দেওয়া হয়েছে।

গ্রামের বসের দৈর্ঘ্য ১০০ ইঞ্চি। উচ্চতা ছয় ফুট। চওড়া ৯৬ ইঞ্চি এবং ওজন প্রায় এক হাজার ৬৮০ কেজি (৪২ মণ)। সাদা আর কালো রঙের অস্ট্রেলিয়ান জাতের ষাঁড়টি সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা হয়েছে বলে জানান রাজিব প্রধান।

জানা যায়, বেলাব উপজেলার সল্লাবাদ গ্রামের মো. ইদ্রিস মিয়ার ছেলে রাজিব প্রধান দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ব্যক্তিগতভাবে অস্ট্রেলিয়ান জাতের দুটি ষাঁড় লালন পালন করছেন। তাদের একটির ওজন ৪২ মণ ও অপরটির ওজন ৩৫ মণ।

গ্রামের বসকে বিক্রির জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। ঈদের এখনও প্রায় তিন সপ্তাহ বাকি। এরইমধ‌্যে গ্রামের বসকে কিনতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা যোগাযোগ করছেন। প্রতিদিন কেউ না কেউ বসকে দেখতেও আসছেন।

রাজিব প্রধান বলেন, ‘ষাঁড় দুটির জন্মের পর থেকেই আমার কাছে রয়েছে। আমি তাদেরকে খুব যত্নে লালন পালন করেছি। দুটি ষাঁড়ই অতি শান্ত। আশা করছি, কোরবানির ঈদে ১৫ লাখ টাকায় ‘গ্রামের বস’ ও অপরটি ১২ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারব।’ 

তিনি জানান, গ্রামের বস ছাড়াও তার পালে ছোট-বড় আরও চারটি গরু রয়েছে। তবে এ বছর শুধু গ্রামের বস ও আরেকটি ষাঁড় যার নাম তিনি এখনো ঠিক করেননি, এ দুটি বিক্রি করবেন। ইতোমধ্যে ক্রেতারা ‘গ্রামের বস’ এর দাম করেছেন ১২ লাখ ও অন্যটি দাম করেছেন সাড়ে আট লাখ টাকা।

প্রতিটি গরুকে দেশীয় পদ্ধতিতে ও দেশীয় খাবার যেমন- ছোলার ভূষি, মসুরির ভূষি, ভুট্টার গুঁড়া, গমের গুঁড়া, গমের ভূষি, ডাব, কাঁচা ঘাস ও খড় খাওয়ানো হয়। 

 

এইচ মাহমুদ/সনি

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়