ঢাকা     শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ১১ ১৪২৭ ||  ০৮ সফর ১৪৪২

হিলি বন্দর মসলা বাজারে কমেছে জিরার মূল‌্য   

হিলি (দিনাজপুর) সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:৪১, ১১ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
হিলি বন্দর মসলা বাজারে কমেছে জিরার মূল‌্য   

দিনাজপুরের হিলি বন্দর মসলাবাজারে ভারতীয় জিরার মূল‌্য কমেছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে প্রতি কেজি জিরা ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের জিরা আমদানিকারক সাইফুল হোসেন বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, করোনা চলাকালীন লকডাউনে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় প্রতি কেজি জিরা বাজারে বিক্রি হয়েছিল ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকা দরে।  বর্তমান হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু হওয়ায় এবং চাহিদার তুলনায় জিরার আমদানি বেশি হওয়ায় কমেছে জিরার দাম।

হিলি মসলাবাজার ঘুরে দেখা যায়, কাকা, মধু, বমজম,পন্ডিত, সোনাচাঁন্দি ও পোস্টম্যান জাতীয় ভারতীয় জিরা প্রতিটি মসলা দোকানে সাজানো রয়েছে। এই সব জিরা হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকদের নিকট থেকে ব্যবসায়ীরা ক্রয় করে আনেন। করোনাকালীন ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিলো। আর বন্ধ থাকার কারণে ভারতীয় প্রতিটি পণ্যের দাম কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

মসলা ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘সব মসলার মধ্যে বর্তমান জিরার মূল‌্য প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। গত রমজানে আমরা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে জিরা বিক্রি করেছি। এখন তা ২৫২ থেকে ২৫৫ টাকা কেজি দরে পাইকারি ক্রয় করে তা ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি।’

বাজারে মসলা কিনতে আসা লুৎফর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি রাইজিংবিডিকে জানান, এর আগে জিরার দাম বেশি ছিলো, যা ক্রয় করা অনেকেরই সাধ্যের বাহিরে ছিল। যে জিরা একশ গ্রাম ৪০ টাকা দামে কিনেছিলাম, আজ সেই জিরা কিনলাম ২৬ টাকায় একশ গ্রাম।’

গোলে বেগম নামের এক নারী রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘বাড়িতে একটা ছোট দোকান করে আমি কোন রকমে ব‌্যবসা করি। মসলাসহ জিরার দাম এতো বেশি ছিলো যা ক্রয় করে গ্রামে বিক্রি করা খুব অসুবিধা হতো। এখন জিরার দাম কমেছে, তাই এক কেজি কিনলাম।  ভালই বিক্রি হবে বলে আশা করছি।’

মসলা ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন শাওন রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমার দোকানে সব ধরনের জিরা আছে। হিলির আমদানিকারকদের নিকট থেকে আমরা জিরা ক্রয় করছি। জিরার দাম কম হওয়াতে ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।’

হিলি স্থলবন্দরের জিরা আমদানিকারক সাইফুল হোসেন রাইজিংবিডিকে জানান, করোনায় দীর্ঘদিন বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল।  এ কারণে প্রতিটি মসলার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল।  বর্তমান আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ায় কমেছে প্রতিটি মসলার মূল্য। বর্তমানে ব্যবসায়ীদের কাছে ২৫০ টাকা কেজি দরে জিরা পাইকারি দেওয়া হচ্ছে। যা সীমিত লাভে দোকানিরা বিক্রি করছেন। 

মোসলেম/বুলাকী

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়