RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০১ অক্টোবর ২০২০ ||  আশ্বিন ১৬ ১৪২৭ ||  ১৩ সফর ১৪৪২

ওসি প্রদীপসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ 

কক্সবাজার প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২৩:০৭, ১২ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
ওসি প্রদীপসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ 

ওসি প্রদীপ কুমার (ফাইল ফটো)

কক্সবাজারের মহেশখালীতে তিন বছর আগে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আব্দুস সাত্তার নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় ওসি প্রদীপ ও পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আদালত অভিযোগটির শুনানী শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আদেশের দিন ধার্য্য করেছেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১ টায় মহেশখালীর জ‌্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. আব্বাস উদ্দিনের আদালতে নিহত আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী হামিদা আক্তার বাদী অভিযোগটি দায়ের করেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী শহীদুল ইসলাম।

এ মামলায় মহেশখালী থানায় কর্মরত তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ছাড়াও পুলিশ সদস্য অন্য আসামীরা হলেন- এসআই হারুনুর রশীদ, এসআই ইমাম হোসেন, এসএসআই মনিরুল ইসলাম, এএসআই শাহেদুল ইসলাম ও এএসআই আজিম উদ্দিন।

আদালতে দায়ের অভিযোগে ২৯ আসামির মধ্যে প্রধান আসামি করা হয়েছে সাগরে জলদস্যুতায় জড়িত ফেরদৌস বাহিনীর প্রধান ফেরদৌসকে (৫৬)। তিনি মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব মাঝের পাড়ার মৃত নুরুল কবিরের ছেলে।

এছাড়া ঘটনায় নিহত আব্দুস সাত্তার মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব মাঝের পাড়ার মৃত মো. নুরুচ্ছফার ছেলে।

বাদীর আইনজীবী শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘‘অভিযোগটির শুনানীঅনুষ্ঠিত হলেও আদালত কোন আদেশ দেননি। বৃহস্পতিবার এর আদেশের জন্য দিন ধার্য্য করা হয়েছে।

গত ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী সকাল ৭টার দিকে হোয়ানক ইউনিয়নের লম্বাশিয়ার পাহাড়ী এলাকায় কথিত দুই জলদস্যু বাহিনীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডে পুলিশকে সহায়তা করে ফেরদৌস বাহিনী নামের একটি জলদস্যু বাহিনী। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ সেসময় থানায় মামলা নেয়নি।”

বাদীপক্ষের এ আইনজীবী বলেন, ‘পরে নিহত আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী হামিদা আক্তার গত ২০১৭ সালের ৮ জুলাই উচ্চ আদালতের স্মরণাপন্ন হন। এটির রিট পিটিশন নং-৭৭৯৩/১৭ মূলে ‘ট্রিট ফর অ্যাফায়ার’ হিসেবে গণ‌্য করতে আদেশ দেন বিচারক। সেই আদেশের আলোকে তিনি একই বছরের ১৭ জুলাই কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে লিখিত দরখাস্ত দেন।’

তবে পুলিশ আবেদনটি আমলে নেয়নি বলে জানান শহীদুল ইসলাম।

সুজাউদ্দিন রুবেল/সনি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়