RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০ ||  কার্তিক ১১ ১৪২৭ ||  ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কুড়িগ্রামে নদীর পানি বেড়ে তলিয়ে যাচ্ছে ফসল, তীব্র হচ্ছে ভাঙন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:৩১, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৯:৩৮, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
কুড়িগ্রামে নদীর পানি বেড়ে তলিয়ে যাচ্ছে ফসল, তীব্র হচ্ছে ভাঙন

কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চলের রোপা আমন ক্ষেত, ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বাড়ি-ঘর।

দীর্ঘ দেড় মাসের বন্যার ক্ষয়-ক্ষতির রেশ কাটতে কাটতেই আবারো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন চরাঞ্চলের মানুষজন।

অন্যদিকে তীব্র স্রোতে জেলার ধরলা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ২০টি পয়েন্টে ভাঙ্ন শুরু হয়েছে। কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব, কাউয়াহাগার ঘাট, ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের জগমনের চর, মোগলবাসা ইউনিয়নের চরশিতাইঝাড় ও সন্নাসী,  রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের কালুয়া এলাকায় ধরলার ভাঙন তীব্র হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে তিস্তার ভাঙনে উলিপুরের দলদলীয় ইউনিয়নের ঠুটা পাইকরসহ কয়েকটি পয়েন্টে ভাঙন শুরু হয়েছে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনের মুখে পড়েছে সদরের যাত্রাপুর, রৌমারী, রাজিবপুর, উলিপুর ও চিলমারী উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকা।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, ‘গত দুইদিনে ধরলার ভাঙনে আমার ইউনিয়নের জগমনের চর এলাকার ৫৪টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এসব পরিবার খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়াও ১৩৫০টি পরিবার পানিবন্দি জীবন-যাপন করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, ‘উজানে ও স্থানীয়ভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি শুরু হয়েছে ভাঙন। আমরা ভাঙনরোধে বিভিন্ন এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলছি।’

বাদশাহ্ সৈকত/সাজেদ 

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়