Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

নিষিদ্ধ সময়ে বেপরোয়া মুন্সীগঞ্জের মা ইলিশ শিকারিরা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:৪৫, ২৮ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ০৯:৪৪, ২৮ অক্টোবর ২০২০
নিষিদ্ধ সময়ে বেপরোয়া মুন্সীগঞ্জের মা ইলিশ শিকারিরা

নিষিদ্ধ সময়ে মুন্সীগঞ্জের পদ্মা ও মেঘনা নদী জুড়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন ইলিশ শিকারিরা। জেলার সদর ও লৌহজং উপজেলায় চলছে ইলিশ শিকারের মহোৎসব। প্রশাসনের কোনো বাধাই মানছেন না জেলেরা।

সরকার মা ইলিশ প্রজনন মৌসুম ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও গত ৩ দিন টানা বৃষ্টির কারণে নৌ-পুলিশের ঢিলেঢালা অভিযানে পড়ে ব্যাপক ভাটা। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জেলেরা অনেকটা নির্বিঘ্নে মা ইলিশ শিকার করছেন।

এদিকে, মা ইলিশ সংরক্ষণে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এপর্যন্ত মাওয়া নৌ-পুলিশের অভিযানে ১২০ জনকে আটক, ৫ মণ ইলিশ জব্দ ও ৮০ লাখ মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এসময় ১০টিরও বেশি নৌকা ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অসাধু মাছ ব্যবসায়ীরা নদীতে মাছ শিকার করে পাড়ে এসে কেজি প্রতি ২ থেকে ৩শ টাকা বিক্রি করে আবার মাছ শিকারে চলে যান। আর ক্রেতা কেউ বস্তায়, কেউ পলিথিন ব্যাগে, কেউ পাতিলে করে নানান কৌশলে গ্রামের ভেতর দিয়ে নিয়ে আসেন শহরে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, মুন্সীগঞ্জ মোল্লারচর এলাকায় মা ইলিশ বিক্রিতে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। এলাকাটিতে বসবাসরত বেদে সম্প্রদায়ের কয়েকটি পরিবার জাজিরা বকচর নামক এলাকা থেকে নৌকায় করে প্রতিদিন ইলিশ ক্রয় করে মোল্লারচর এলাকায় এসে বিক্রি করেন। প্রতি কেজি ইলিশের মূল্য ৫শ টাকা। হাতের নাগালে বড় বড় ইলিশ কম মূল্য পাওয়াতে প্রতিদিন সকালে ভিড় জমে যায় এলাকাটিতে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা মৎস কর্মকর্তা সূনীল মণ্ডল জানান, মা ইলিশ নিধনের সঙ্গে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযান চলমান রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় মা ইলিশ ধরা, বিক্রি, মজুদ ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

রতন/বুলাকী

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে