RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     বুধবার   ২৫ নভেম্বর ২০২০ ||  অগ্রাহায়ণ ১১ ১৪২৭ ||  ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২

মুন্নার উপযুক্ত বিচার চায় এলাকাবাসী

রাজবাড়ী সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:৫৪, ২২ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১২:০০, ২২ নভেম্বর ২০২০
মুন্নার উপযুক্ত বিচার চায় এলাকাবাসী

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগে সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার মুন্না ভগতের বাড়ি রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার বাজার রেলস্টেশন সংলগ্ন সুইপার কলোনিতে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীও তার উপযুক্ত বিচার চেয়েছে।

শনিবার সকালে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভা বাজার রেলস্টেশন সংলগ্ন সুইপার কলোনির কালি মন্দির সংলগ্ন মুন্না ভক্তের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। বাড়ির বাইরের গেটে তালা মারা রয়েছে। বিকেলে পুনরায় গেলে বাড়ির সামনে রাস্তায় মুন্নার বাবা দুলাল ভগতকে পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে ওঠার পর আর পড়ালেখা হয়নি মুন্নার।  তাও বছর তিনেক হয়েছে। স্থানীয় কিছু বখাটে ছেলেদের সাথে আড্ডার কারণে মুন্নাও নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। একমাত্র ছেলে মুন্না পড়ালেখা বাদ দিয়ে নেশায় আসক্ত হওয়ায় সবাইকে ভাবিয়ে তোলে। পরে তারা সিদ্ধান্ত নেন তাকে অন্য কোথাও পাঠিয়ে দিবেন। পরবর্তীতে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম হিসেবে কাজ করা মুন্নার বড় মামা যতন কুমারকে বিষয়টি জানান। তার কাছে রেখে কাজ শেখার জন্য নিয়ে যেতে বললে মুন্না ঢাকায় চলে যায়। এরপর থেকে মামার কাছে থেকে ডোমের কাজ শিখছিলো।

তবে বাবা দুলাল ভগত দাবি করেন, মুন্না ষড়যন্ত্রের শিকার। মুন্না এমন কাজ করতে পারে বলে তাদের বিশ্বাস হচ্ছে না। তারপর ছেলে যদি এমন অপরাধ করে থাকে এবং প্রমাণিত হয়, তাহলে তার উপযুক্ত শাস্তি চান তিনি। তবে বিষয়টি ভালোভাবে খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেন।

প্রতিবেশীদের অনেকেই বলেন, মুন্না এলাকায় থাকা অবস্থায় পড়াশুনা বাদ দিয়ে স্থানীয় কিছু মাদকসেবীর সাথে নিয়মিত আড্ডা দিতো। সেই থেকে সে নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। তবে এলাকায় কখনো কোনো খারাপ কাজের সাথে জড়িত হয়নি বা শোনাও যায়নি। তাদের বিশ্বাস হচ্ছে না মুন্না এমন কাজটি করতে পারে। যদি করে থাকে তাহলে সে চরম অপরাধ করেছে।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে আসা মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগে মুন্না ভগতকে গ্রেপ্তার করে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সরোয়ার আহমেদ/টিপু

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়