Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

মুন্নার উপযুক্ত বিচার চায় এলাকাবাসী

রাজবাড়ী সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:৫৪, ২২ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১২:০০, ২২ নভেম্বর ২০২০
মুন্নার উপযুক্ত বিচার চায় এলাকাবাসী

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগে সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার মুন্না ভগতের বাড়ি রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার বাজার রেলস্টেশন সংলগ্ন সুইপার কলোনিতে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীও তার উপযুক্ত বিচার চেয়েছে।

শনিবার সকালে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভা বাজার রেলস্টেশন সংলগ্ন সুইপার কলোনির কালি মন্দির সংলগ্ন মুন্না ভক্তের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। বাড়ির বাইরের গেটে তালা মারা রয়েছে। বিকেলে পুনরায় গেলে বাড়ির সামনে রাস্তায় মুন্নার বাবা দুলাল ভগতকে পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে ওঠার পর আর পড়ালেখা হয়নি মুন্নার।  তাও বছর তিনেক হয়েছে। স্থানীয় কিছু বখাটে ছেলেদের সাথে আড্ডার কারণে মুন্নাও নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। একমাত্র ছেলে মুন্না পড়ালেখা বাদ দিয়ে নেশায় আসক্ত হওয়ায় সবাইকে ভাবিয়ে তোলে। পরে তারা সিদ্ধান্ত নেন তাকে অন্য কোথাও পাঠিয়ে দিবেন। পরবর্তীতে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম হিসেবে কাজ করা মুন্নার বড় মামা যতন কুমারকে বিষয়টি জানান। তার কাছে রেখে কাজ শেখার জন্য নিয়ে যেতে বললে মুন্না ঢাকায় চলে যায়। এরপর থেকে মামার কাছে থেকে ডোমের কাজ শিখছিলো।

তবে বাবা দুলাল ভগত দাবি করেন, মুন্না ষড়যন্ত্রের শিকার। মুন্না এমন কাজ করতে পারে বলে তাদের বিশ্বাস হচ্ছে না। তারপর ছেলে যদি এমন অপরাধ করে থাকে এবং প্রমাণিত হয়, তাহলে তার উপযুক্ত শাস্তি চান তিনি। তবে বিষয়টি ভালোভাবে খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেন।

প্রতিবেশীদের অনেকেই বলেন, মুন্না এলাকায় থাকা অবস্থায় পড়াশুনা বাদ দিয়ে স্থানীয় কিছু মাদকসেবীর সাথে নিয়মিত আড্ডা দিতো। সেই থেকে সে নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। তবে এলাকায় কখনো কোনো খারাপ কাজের সাথে জড়িত হয়নি বা শোনাও যায়নি। তাদের বিশ্বাস হচ্ছে না মুন্না এমন কাজটি করতে পারে। যদি করে থাকে তাহলে সে চরম অপরাধ করেছে।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে আসা মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগে মুন্না ভগতকে গ্রেপ্তার করে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সরোয়ার আহমেদ/টিপু

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে