RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     বুধবার   ২৫ নভেম্বর ২০২০ ||  অগ্রাহায়ণ ১১ ১৪২৭ ||  ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২

দুই বছর ধরে ভেঙে পড়ে ব্রিজ, কেউ দেখছে না

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:০৫, ২২ নভেম্বর ২০২০  
দুই বছর ধরে ভেঙে পড়ে ব্রিজ, কেউ দেখছে না

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলার মাঝামাঝি সংযোগ সড়কে প্রায় দুই বছর ধরে একটি ব্রিজ ভেঙে পড়ে আছে।  ফলে দুই উপজেলারই লাখেরও বেশি মানুষ যাতায়াতে চরম ভোগান্তির স্বীকার। কিন্তু বিষয়টি দেখার যেনো কেউই নেই।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়ন থেকে রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সড়কের সংযোগস্থলে এই ব্রিজটি। বর্তমানে বিকল্প সাঁকো দিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছেন মানুষ। ভারী যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও ছোট ছোট যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে ওই বাশের সাঁকোতেই পার হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, ২ বছর ধরে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। উপায়হীন হয়ো স্থানীয় মানুষজন চাঁদা তুলে একটি সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন, তারপরও ব্রিজটি সংস্কারের উদ্যোগ নেই। স্কুলের ছোট ছোট শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে দুই উপজেলার হাটবাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা আসা যাওয়া করছেন প্রতিনিয়ত। ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনাও, তাও আমলে নিচ্ছেন না কেউ।

জানা যায়, ডানকান ব্রাদার্স নামে সংস্থার অধীনে কুলাউড়ার বরমচাল চা বাগান ও রাজনগরের করিমপুর চা বাগানের ভেতর দিয়ে ‘উপজেলা সড়ক’ নামে একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার ও সিলেটে যাতায়াতের সুবিধার্থে এই সড়কটি নির্মাণ করা হয় ২০০৮-০৯ সালে। তৎকালীন বরমচাল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আহবাব চৌধুরী শাহজাাহান এই সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব করলে এলজিইডির বাস্তবায়নে সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

কম সময়ে যাতায়াতের জন্য ভারী যানবাহনসহ বিভিন্ন ছোট বড় মালবাহী গাড়ি এই সড়কটি ব্যবহার করছে। এতে ওই ব্রিজটিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ায় এক সময় ভেঙে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকায় এই এলাকারই নামকরণ হয়ে গেছে ‘ভাঙাপুল’।

স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম মিয়া বলেন, কাজের তাগিদে প্রায় সময় আমাকে এই রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। ক'দিন আগে মোটরসাইকেলে এই সাঁকো পাড়াপাড়ের সময় আমি দুর্ঘটনার শিকার হই।

অটোচালক শ্যামল বলেন, বৃষ্টির সময় কাদা জমে থাকায় এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়া অসম্ভব। তাই ব্রিজের দুই পাশে আলাদা আলাদা গাড়ি থাকে।

মৌলভীবাজার জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আজিম উদ্দীন সরদার বলেন, পুরো জেলার ৭টা ব্রিজের প্রস্তাব আমরা পাঠিয়েছি। এই ব্রিজটা যদি তার মধ্যে থাকে তাহলে খুব শিগগিরই বাস্তবায়ন হবে। আমি দ্রুত এটা পরিদর্শন করবো।

সাইফুল্লাহ হাসান/টিপু

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়