RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২১ ||  মাঘ ৫ ১৪২৭ ||  ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

আত্মসমর্পণ করলেন টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র 

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:১৮, ২ ডিসেম্বর ২০২০  
আত্মসমর্পণ করলেন টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র 

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি ছয় বছর পর আত্মসমর্পণ করেছেন।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) সকালে হঠাৎ আত্মসমর্পণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি আইনজীবী মনিরুল ইসলাম খান।

মনিরুল ইসলাম খান জানান, সকাল পৌনে ১১টার দিকে সহিদুর রহমান তার বাবা সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান ও ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে সঙ্গে নিয়ে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে উপস্থিত হন। এ সময় তারা আদালত কক্ষের ভিতর অবস্থান নিয়ে আত্মসমর্পণের কাগজপত্র জমা দেন। শুনানি শেষে দুপুরের পর আদালতে আদেশ দেওয়া হয়। পরে পুলিশ হেফাজতে তিনি  এক বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিবি কর্তৃক একটি অস্ত্র মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের প্রার্থনা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে । দুপুরের পর শুনানি হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত সরকারি আইনজীবী মনিরুল ইসলাম, আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আব্দুল বাকী মিয়াসহ আরও অনেক আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে গোয়েন্দা পুলিশ রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামক দুইজনকে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গ্রেপ্তার করে। ওই দুই আসামির জবানবন্দিতে এই হত্যার সঙ্গে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা এবং তার অপর তিন ভাই পৌরসভার তৎকালিন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকণ ও  কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।  তার পরেই আমানুর ও সহিদুরসহ চার ভাই আত্মগোপনে চলে যান।  পরবর্তীতে আমানুর ২২ মাস পলাতক থাকার পর আদালতে আত্মসর্মপন করেন। প্রায় দুই বছর হাজতে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্ত হন। তবে তার অপর তিন ভাই এখনো পলাতক রয়েছেন। আদালতে এ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

কাওছার/বুলাকী

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়