Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

হবিগঞ্জে স্বামীর পর স্ত্রীও আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০১:২৯, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১২:৫০, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১
হবিগঞ্জে স্বামীর পর স্ত্রীও আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার

২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মো. মিজানুর রহমানের স্ত্রী জলি রহমানকে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) হবিগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জমিলা খাতুন ও সাধারণ সম্পাদক আলেয়া আক্তার  তাকে বহিস্কার করেন। মহিলা আওয়ামী লীগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মিজানুর রহমানের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় হবিগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জলি রহমানকে বহিস্কার করা হল।

প্রেস বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা খাতুনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া আক্তার জানান, সংগঠনের আর কেউ নৌকার বিরুদ্ধে প্রচারণায় অংশ নিলে একইভাবে বহিস্কার করা হবে।

এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোাহী প্রার্থী বর্তমান মেয়র মো. মিজানুর রহমানকে হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল।

এছাড়া তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক চৌধুরী শুভ বাতেন, হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জুবেদ আহমেদ সবুজ ও যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাগরকেও সাংগঠনিক পদ থেকে বহিস্কার করে জেলা ছাত্রলীগ।

মিজানুর রহমান ২০১৯ সালের ২৫ জুন হবিগঞ্জ পৌরসভার উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রায় ১৯ মাস পর আবার হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে। এ পৌরসভায় মোট ৫০ হাজার ৯০৩ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২৫ হাজার ২৮৩ ও নারী ২৫ হাজার ৬২০ জন।

মামুন/আমিনুল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে