Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

খুলনায় ১৪ দফা দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:৪০, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১  
খুলনায় ১৪ দফা দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ

খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধসহ ১৪ দফা দাবিতে সমাবেশ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর খালিশপুর পিপলস গোল চত্বরে এ সমাবেশ হয়।  এতে সভাপতিত্ব করেন বদলি শ্রমিক নেতা মো. ইলিয়াস হোসেন।

শ্রমিকদের দাবিগুলো হলো—রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বিরাষ্ট্রীয়করণের সিদ্ধান্ত বাতিল, অবিলম্বে সব পাটকল চালু, পাটকলগুলো আধুনিকায়ন, দৈনিকভিত্তিকসহ সব শ্রমিকের বকেয়া অবিলম্বে পরিশোধ, আলীম জুট মিলের শ্রমিকদের ৬৪ সপ্তাহের বকেয়া বিলসহ সব পাওনা পরিশোধ, বকেয়া ৬ সপ্তাহের মজুরি, উৎসব বোনাস, ইনক্রিমেন্ট ও ২০২০ সালের জুলাই মাসের দুই দিনের মজুরি অবিলম্বে পরিশোধ এবং পাটকল রক্ষা আন্দোলনের নেতাদের নামে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার।

সমাবেশে শ্রমিক নেতারা বলেন, ‘আজ ৫০ হাজার বদলি, স্থায়ী ও দৈনিকভিত্তিক শ্রমিক কর্মহীন শুধু ২৫টি পাটকল বন্ধের রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের কারণে।  কর্মহীন শ্রমিকদের পাওনা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সরকার প্রতারণামূলক ব্যবস্থা জারি রেখেছে।  এখনও ১৮ হাজার ২০০ বদলি শ্রমিকের বকেয়া পাওনা পরিশোধের কোনো খবর নেই। ৭ হাজার দৈনিকভিত্তিক শ্রমিক জানে না, তারা আদৌ কোনো অর্থ পাবে কি না। শঙ্কা, অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে কলোনী থেকে উচ্ছেদ হওয়া শ্রমিকরা।

তারা বলেন, ‘শ্রমিক পরিবারের জীবন-জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে।  তাদের সন্তানদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। রোগাক্রান্ত ‌শ্রমিকদের ওষুধ কেনার সামর্থ্য নেই। ’

শ্রমিক নেতারা আরও বলেন, ‘যারা সোনালী আঁশের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে ধ্বংস করতে তৎপর, তারা ইতিহাসে নব্য মীর জাফর হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে। ’

শ্রমিক সমাবেশে আরও বক্তৃতা করেন—পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, মুনীর চৌধুরী সোহেল, এস এ রশীদ, জনার্দন দত্ত নান্টু, মোজাম্মেল হক খান, দলী শ্রমিক নেতা আলতাফ হোসেন প্রমুখ।

নূরুজ্জামান/শাহাবুদ্দিন

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে