Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

বিশ্ব জয়ের গল্প শোনালেন শিশু শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সাদাত

মাগুরা প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:০৭, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৪:৩৯, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১
বিশ্ব জয়ের গল্প শোনালেন শিশু শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সাদাত

মাগুরার একটি সাধারণ পরিবারে জন্ম নিয়ে কৈশরেই আন্তর্জাতিক খেতাব জিতেছেন সাদাত রহমান (১৭)। ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক শিশু পুরষ্কার জয়ী এই কিশোর শোনালেন তার পেছনের গল্প।

জানালেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, নতুন নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করলেন শিশু ও তরুণদেরকে।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মাগুরা শহরের শহীদ সৈয়দ আতর আলী গণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে ‘বিশ্ব জয়ের গল্প শুনি’ শীর্ষক আলোচনাসভার আয়োজন করে মাগুরা প্রথম আলো বন্ধুসভা।

মাগুরা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের মসজিদ বাড়ির ছেলে সাদাত রহমান। বাবা মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের চাকরি সূত্রে এখন পড়ালেখা করছেন নড়াইলে। উচ্চ মাধ্যমিকের এই শিক্ষার্থী নড়াইলে থাকতে একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছেন, যার মাধ্যমে সাইবার বুলিং বা অনলাইনে হুমকি ও হয়রানিমূলক আচরণ সম্পর্কে তরুণদের শেখানো হয়।

সাইবার বুলিং এর শিকার হয়ে ১৫ বছরের এক কিশোরীর আত্মহত্যা ঘটনা জানতে পেরে এই অ্যাপ বানাতে অনুপ্রাণিত হন তিনি। সাইবার টিনস নামে ওই এ্যাপের মাধ্যমে তরুণ বয়সিরা তাদের সঙ্গে হওয়া অনলাইন হয়রানির অভিযোগও জানাতে পারেন। এই উদ্যোগের কারণেই গতবছর সাদাতকে ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড পিস প্রাইজ বা আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে নেদারল্যান্ডের হেগ ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কিডস রাইটস ফাউন্ডেশন। এই পুরস্কারের পূর্ববর্তী বিজয়ীদের মধ্যে সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন।

আলোচনা সভায় সাদাত জানান, প্রথমে নড়াইল দিয়ে কাজ শুরু করলেও এখন সারা দেশে কিভাবে এটি ছড়িয়ে দেওয়া যায় তা নিয়ে কাজ করছেন তিনি ও তার দল। নিজের সফলতার গল্প শোনানোর পাশাপাশি উপস্থিত শিশু কিশোরদেরকে নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেন সাদাত। আলোচনা সভায় উপস্থিত শিশু কিশোরদের নানা রকম প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

প্রথম আলো বন্ধুসভার এ আয়োজনে সংগঠনের সদস্যরা ছাড়াও ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্ক ফোর্স নামে একটি সংগঠনের মাগুরা জেলার সদস্যরা অংশ নেন।

আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— প্রথম আলো মাগুরা বন্ধুসভার উপদেষ্টা ঝিনাইদহ কে সি কলেজের সহকারী অধ্যাপক খান শফিউল্লাহ, মাগুরা সরকারী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আবু সাইদ মোল্লা, একই কলেজের সহযোগী অধ্যাপক রুহুল আমীন, ব্যবসায়ী বাবুল কুরি, মাগুরা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম মঞ্জু ও প্রথম আলোর মাগুরা প্রতিনিধি কাজী আশিক রহমান।

শাহীন/বুলাকী

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে