Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

ভালুকের আক্রমণে আহত দুই মুরং এখন চট্টগ্রাম মেডিক্যালে

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:৪০, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১১:৪৩, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১
ভালুকের আক্রমণে আহত দুই মুরং এখন চট্টগ্রাম মেডিক্যালে

বান্দরবানের চিম্বুকপাড়া এলাকায় পাহাড়ি জঙ্গলে ভালুকের আক্রমণে গুরুতর আহত মঙ্গোলীও মুরং (৬) ও ইয়াং ওয়াই মুরং (৪৮) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে এনেছে সেনাবাহিনী। তারা এখন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বান্দরবানের দুর্গম চিম্বুকপাড়া গ্রাম থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সহায়তায় বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে আহত মুরংদের চট্টগ্রাম সেনানিবাসে আনা হয়। পরবর্তীতে তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।  

আহত মঙ্গোলীও মুরংয়ের বাবা রিং রাং রাও মুরং জানান, শিশুটি চিম্বুক পাড়া জঙ্গলের পাশে খেলা করছিল। এসময় হঠাৎ হিংস্র ভালুকটি শিশুটিকে আক্রমণ করে। শিশুটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে শিশুটির দাদা ইয়ং ওয়াই মুরং। ভালুকটি দু’জনকেই মারাত্মকভাবে আহত করে। আহত দু’জনকে নিকটস্থ সেনাক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেনাবাহিনী তাদের উন্নত চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়।

রিং রাং রাও মুরং জানান, তারা যেই গ্রামে বসবাস করেন, সেখান থেকে সড়কে যেতে হলে টানা ৫ ঘন্টা পায়ে হেঁটে যেতে হয়। নেই কোনো সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। ঝিরি-ঝরণা, খাল ও গিরিপথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় তাদের। জীবিকার তাগিদে ওই পাহাড়ি জনপদে বসবাস করছেন তারা। সেনাবাহিনীর মানবিক কর্মকাণ্ডে তারা নতুনভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছেন। 

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩১ এপ্রিল (২০২০) সোনাপতি চাকমা এবং ২৯ ডিসেম্বর (২০২০) জতনী তঞ্চংগ্যা নামে দু’জন মৃত্যুপথযাত্রী প্রসূতি নারীকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। পরে তারা ফুটফুটে বাচ্চা নিয়ে বাড়ি ফেরেন। 

চট্টগ্রাম/রেজাউল/টিপু

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে